ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

তুরস্কে গ্রেপ্তার ৬৫ সেনা-পুলিশ সদস্য

তুরস্কের প্রয়াত ধর্মপ্রচারক ও প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী ফেতুল্লাহ গুলেনের সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত ৬৫ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৩ মে, শুক্রবার ভোরে পরিচালিত তুর্কি নিরাপত্তাবাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে ইস্তাম্বুল কেন্দ্রিক ৩৬টি প্রদেশে ফেতুল্লাহ সংগঠনের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ৫৬ জন সক্রিয় সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও ৭ জনের খোঁজ চলছে।

অন্যদিকে স্থানীয় হাল্ক টিভি জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জন পুলিশ সদস্যের বেশিরভাগই ইস্তাম্বুলে কর্মরত ছিলেন।

সংবাদমাধ্যটি আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে বিমান, সেনা, নৌ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

তুরস্ক সরকার গুলেনের হিজমেত আন্দোলনকে বোঝাতে ‘ফেতুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠন’ নামটি ব্যবহার করে, যা একসময় নীরবে দেশটির বিভিন্ন খাতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল।

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে এক সময় ঘনিষ্ঠ হলেও পরে গুলেন হয়ে ওঠেন তার প্রধান রাজনৈতিক শত্রু। তিনি ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান এবং পরে আর তুরস্কে ফেরেননি। গত বছর অক্টোবরে মারা যান ফেতুল্লাহ গুলেন।

২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বরাবরই তাকে দায়ী করে আসছে তুরস্ক সরকার। গুলেনের মৃত্যুর পরও বিশ্বজুড়ে গুলেন-সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় আঙ্কারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

তুরস্কে গ্রেপ্তার ৬৫ সেনা-পুলিশ সদস্য

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

তুরস্কের প্রয়াত ধর্মপ্রচারক ও প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী ফেতুল্লাহ গুলেনের সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত ৬৫ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৩ মে, শুক্রবার ভোরে পরিচালিত তুর্কি নিরাপত্তাবাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে ইস্তাম্বুল কেন্দ্রিক ৩৬টি প্রদেশে ফেতুল্লাহ সংগঠনের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ৫৬ জন সক্রিয় সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও ৭ জনের খোঁজ চলছে।

অন্যদিকে স্থানীয় হাল্ক টিভি জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জন পুলিশ সদস্যের বেশিরভাগই ইস্তাম্বুলে কর্মরত ছিলেন।

সংবাদমাধ্যটি আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে বিমান, সেনা, নৌ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

তুরস্ক সরকার গুলেনের হিজমেত আন্দোলনকে বোঝাতে ‘ফেতুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠন’ নামটি ব্যবহার করে, যা একসময় নীরবে দেশটির বিভিন্ন খাতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল।

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে এক সময় ঘনিষ্ঠ হলেও পরে গুলেন হয়ে ওঠেন তার প্রধান রাজনৈতিক শত্রু। তিনি ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান এবং পরে আর তুরস্কে ফেরেননি। গত বছর অক্টোবরে মারা যান ফেতুল্লাহ গুলেন।

২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বরাবরই তাকে দায়ী করে আসছে তুরস্ক সরকার। গুলেনের মৃত্যুর পরও বিশ্বজুড়ে গুলেন-সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় আঙ্কারা।