ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৫৯

নেপাল-চীন সীমান্তে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টা পর্যন্ত আটটি জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নেপালি পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টকে এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, রাসুওয়া জেলায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি, ধাদিংয়ে ৩৩টি, চিতওয়ানে ১৩২টি, গোর্খায় ৩০টি, তানাহুনে ২২টি, পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ৮২টি এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখনও উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি আরও বন্যার ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো থেকে পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

নিখোঁজদের সন্ধান এবং বন্যা ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক পরিষ্কারের কাজেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।

রাসুওয়াসহ বিভিন্ন জেলায় তাণ্ডব চালানোর পর এই বন্যা ত্রিশূলি ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থা ধরে নিচের দিকে ধাবিত হয়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৫৯

আপডেট সময় ১১:২০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-চীন সীমান্তে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টা পর্যন্ত আটটি জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নেপালি পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টকে এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, রাসুওয়া জেলায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি, ধাদিংয়ে ৩৩টি, চিতওয়ানে ১৩২টি, গোর্খায় ৩০টি, তানাহুনে ২২টি, পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ৮২টি এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখনও উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি আরও বন্যার ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো থেকে পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

নিখোঁজদের সন্ধান এবং বন্যা ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক পরিষ্কারের কাজেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।

রাসুওয়াসহ বিভিন্ন জেলায় তাণ্ডব চালানোর পর এই বন্যা ত্রিশূলি ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থা ধরে নিচের দিকে ধাবিত হয়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।