ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ইসরায়েলের উচিত ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করা: ট্রাম্প

ঢাকা অফিস ॥ ইসরায়েলকে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই ইসরায়েলের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) নর্থ ক্যারোলিনার ফায়েটভিল শহরে এক প্রচারসভায় ট্রাম্প বলেন, তাদের (ইরান) পরমাণু স্থাপনা নিশানা করাই সবচেয়ে জরুরি। কারণ এটিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা সমর্থন করবেন কি না। জবাবে বাইডেন বলেন, ‘না’। পাশাপাশি, জি-৭ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ইসরায়েলের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করার কথাও বলেন তিনি। বাইডেন বলেন, ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রয়েছে, তবে সেটি অবশ্যই অনুপাতমূলক হতে হবে। ট্রাম্প বাইডেনের এ নীতির সমালোচনা করে বলেন, আঘাত করা উচিত পরমাণু স্থাপনায়, পরে বাকি বিষয় নিয়ে চিন্তা করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলকে যদি কিছু করতে হয়, তবে তাদের উচিত প্রথমে (ইরানের) পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা। এখানে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা ইস্যুতে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উভয়ের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস এবং রিপাবালিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ইসরায়েলের উচিত ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করা: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৯:১৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকা অফিস ॥ ইসরায়েলকে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই ইসরায়েলের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) নর্থ ক্যারোলিনার ফায়েটভিল শহরে এক প্রচারসভায় ট্রাম্প বলেন, তাদের (ইরান) পরমাণু স্থাপনা নিশানা করাই সবচেয়ে জরুরি। কারণ এটিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা সমর্থন করবেন কি না। জবাবে বাইডেন বলেন, ‘না’। পাশাপাশি, জি-৭ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ইসরায়েলের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করার কথাও বলেন তিনি। বাইডেন বলেন, ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রয়েছে, তবে সেটি অবশ্যই অনুপাতমূলক হতে হবে। ট্রাম্প বাইডেনের এ নীতির সমালোচনা করে বলেন, আঘাত করা উচিত পরমাণু স্থাপনায়, পরে বাকি বিষয় নিয়ে চিন্তা করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলকে যদি কিছু করতে হয়, তবে তাদের উচিত প্রথমে (ইরানের) পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা। এখানে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা ইস্যুতে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উভয়ের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস এবং রিপাবালিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।