ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

তেহরানে জুমার নামাজে খুতবা দিয়েছেন খামেনি

ঢাকা অফিস ॥ ইরানের রাজধানী তেহরানে জুমার নামাজের খুতবা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। শুক্রবার তাকে ইরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খুতবা দিতে দেখা গেছে। প্রায় চার বছর পর তিনি জুমার নামাজে খুতবা দিলেন। খবর বিবিসি, আল জাজিরা। এর আগে ২০২০ সালে তিনি জুমার নামাজে খুতবা দিয়েছেন। সে সময় মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি। হত্যার কিছুদিন আগে থেকেই সোলেইমানির গতিবিধি অনুসরণ করা হচ্ছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হিটলিস্টে ছিলেন। ইসরায়েলে ইরানের হামলার একদিন পর তেহরানে বিশাল জনসমাবেশে ?জুমার নামাজে খুতবা দিলেন খামেনি। এ সময় এই শীর্ষ নেতাকে এক পলক দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ তেহরানে জড়ো হন। সে সময় প্রধান মঞ্চে হিজবুল্লাহর প্রয়াত নেতা হাসান নাসরাল্লাহ এবং খামেনির একটি ছবি পাশাপাশি রাখা হয়। এছাড়া অনেকের হাতেই সে সময় হিজবুল্লাহর সবুজ ও হলুদ পতাকা ছিল আবার কারও হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বলেছেন, প্রতিটি দেশেরই তাদের আগ্রাসীদের হাত থেকে আত্মরক্ষা করার অধিকার রয?েছে। তিনি বলেন, মুসলিম দেশগুলোকে আফগানিস্তান থেকে ইয?েমেন, ইরান থেকে গাজা ও লেবানন পর্যন্ত অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। খামেনি বলেন, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং ইসরায?েলের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৈধ ছিল। তিনি বলেন, আমাদের শত্রুদের নীতি হলো বিভাজন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের বীজ বপন করা এবং মুসলিমদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করা। তারা ফিলিস্তিনি, লেবানিজ, মিশরীয? এবং ইরাকিদের শত্রু। তারা ইয?েমেন এবং সিরিয?ার জনগণের শত্রু। আমাদের সবার শত্রু এক।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

তেহরানে জুমার নামাজে খুতবা দিয়েছেন খামেনি

আপডেট সময় ১০:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকা অফিস ॥ ইরানের রাজধানী তেহরানে জুমার নামাজের খুতবা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। শুক্রবার তাকে ইরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খুতবা দিতে দেখা গেছে। প্রায় চার বছর পর তিনি জুমার নামাজে খুতবা দিলেন। খবর বিবিসি, আল জাজিরা। এর আগে ২০২০ সালে তিনি জুমার নামাজে খুতবা দিয়েছেন। সে সময় মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি। হত্যার কিছুদিন আগে থেকেই সোলেইমানির গতিবিধি অনুসরণ করা হচ্ছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হিটলিস্টে ছিলেন। ইসরায়েলে ইরানের হামলার একদিন পর তেহরানে বিশাল জনসমাবেশে ?জুমার নামাজে খুতবা দিলেন খামেনি। এ সময় এই শীর্ষ নেতাকে এক পলক দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ তেহরানে জড়ো হন। সে সময় প্রধান মঞ্চে হিজবুল্লাহর প্রয়াত নেতা হাসান নাসরাল্লাহ এবং খামেনির একটি ছবি পাশাপাশি রাখা হয়। এছাড়া অনেকের হাতেই সে সময় হিজবুল্লাহর সবুজ ও হলুদ পতাকা ছিল আবার কারও হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বলেছেন, প্রতিটি দেশেরই তাদের আগ্রাসীদের হাত থেকে আত্মরক্ষা করার অধিকার রয?েছে। তিনি বলেন, মুসলিম দেশগুলোকে আফগানিস্তান থেকে ইয?েমেন, ইরান থেকে গাজা ও লেবানন পর্যন্ত অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। খামেনি বলেন, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং ইসরায?েলের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৈধ ছিল। তিনি বলেন, আমাদের শত্রুদের নীতি হলো বিভাজন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের বীজ বপন করা এবং মুসলিমদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করা। তারা ফিলিস্তিনি, লেবানিজ, মিশরীয? এবং ইরাকিদের শত্রু। তারা ইয?েমেন এবং সিরিয?ার জনগণের শত্রু। আমাদের সবার শত্রু এক।