ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ তুমুল পাল্টাপাল্টি হামলা

ঢাকা অফিস ॥ ইসরায়েল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই বেড়ে গেছে। দুই পক্ষই সীমান্তে বড় ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। রোববার ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল গুলি বিনিময় হয়েছে। লেবাননের দক্ষিণে ইসরায়েল বিমান থেকে ঘন ঘন বোমা হামলা চালাচ্ছে। ওদিকে, হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের অনেক ভেতরে রকেট হামলা চালাচ্ছে। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রাণঘাতি ড্রোন হামলার পর রোববার এর বদলায় হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে ১৫০ টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। এসব রকেট হামলায় ইসরায়েলে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানুষজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে বলেছে যে, তারা হিজবুল্লাহর হাজার হাজার রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। ইসরায়েলের বিমান হামলায় লেবাননের তিনটি শহরে তিনজন নিহত হওয়ারও খবর জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা মুহুর্মুহু রকেট হামলার ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। হাসপাতালগুলো শুধুমাত্র নিরাপদ এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতও জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। গত প্রায় এক বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধের মাঝে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সর্বশেষ এই তুমুল হামলায় গোটা অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর গাজার ফিলিস্তিনি ছিটমহলে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার পর থেকে গত সপ্তাহে দুপক্ষের সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল বলছে, তাদের উত্তরাঞ্চল লোকজন ফিরে আসার জন্য নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত তারা হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে যাবে। ওদিকে হিজবুল্লাহ বলছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি না হওয়ার পর্যন্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই চলবে। ইসরায়েলের হাইফা শহরের কাছে একটি বাড়িসহ বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং উদ্ধারকারী দল আহতদের চিকিৎসা দিয়েছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিজবুল্লাহ বলেছে, তারা ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাকের এক কর্মকর্তা বলেছেন, লেবাননের সঙ্গে আমাদের সমর্থনের ফ্রন্টে নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে তারা রোববার ভোরে ইসরায়েলে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গাজা ও লেবাননের সংঘাত ওই অঞ্চলের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। লেবাননের রাজধানীর উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই হামলা চালানো হল। রোববার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের প্রায় এক বছরের সংঘাতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলায় শুক্রবার দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতা ইব্রাহিম আকিল ও আরেক কমান্ডার আহমেদ ওয়াহবিসহ ১৬ সদস্য নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা আকিল ও হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান বাহিনীর নেতাদের একটি গোপন সমাবেশে হামলা চালিয়েছে এবং তাদের সামরিক চেইন অব কমান্ড প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।  একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় শহরতলির একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু ও সাতজন নারী রয়েছেন। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবারের হামলায় পেজার ও ওয়াকিটকি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন তিন হাজারের বেশি। ইসরায়েল জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি। বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে হামলার প্রাথমিক প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ রোববার ইসরায়েলি সামরিক-শিল্প স্থাপনায় রকেট হামলা চালিয়েছে জানিয়ে তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করেছে। ইসরায়েল দ্রুত এর জবাব দিয়ে লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। হিজবুল্লাহ বলেছে, ইসরাইল গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, শিগগিরই এই হামলা থামার সম্ভাবনা নেই। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ট, গত সপ্তাহে বলেছিলেন, ইসরায়েল উত্তর সীমান্তে যুদ্ধের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তিনি লিখেন, “আমাদের লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যায়ে পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।” গত এক সপ্তাহে লেবাননে কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত হয়েছে। ২০০৬ সালের পরে সবচেয়ে ভয়াবহ ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে গত বছর অক্টোবর থেকে এই পর্যন্ত দেশটিতে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। তারপর থেকে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলার মধ্যে ওই অঞ্চল থেকে দুই দেশের হাজার হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ তুমুল পাল্টাপাল্টি হামলা

আপডেট সময় ১১:৩৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ঢাকা অফিস ॥ ইসরায়েল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই বেড়ে গেছে। দুই পক্ষই সীমান্তে বড় ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। রোববার ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল গুলি বিনিময় হয়েছে। লেবাননের দক্ষিণে ইসরায়েল বিমান থেকে ঘন ঘন বোমা হামলা চালাচ্ছে। ওদিকে, হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের অনেক ভেতরে রকেট হামলা চালাচ্ছে। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রাণঘাতি ড্রোন হামলার পর রোববার এর বদলায় হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে ১৫০ টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। এসব রকেট হামলায় ইসরায়েলে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানুষজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে বলেছে যে, তারা হিজবুল্লাহর হাজার হাজার রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। ইসরায়েলের বিমান হামলায় লেবাননের তিনটি শহরে তিনজন নিহত হওয়ারও খবর জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা মুহুর্মুহু রকেট হামলার ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। হাসপাতালগুলো শুধুমাত্র নিরাপদ এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতও জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। গত প্রায় এক বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধের মাঝে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সর্বশেষ এই তুমুল হামলায় গোটা অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর গাজার ফিলিস্তিনি ছিটমহলে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার পর থেকে গত সপ্তাহে দুপক্ষের সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল বলছে, তাদের উত্তরাঞ্চল লোকজন ফিরে আসার জন্য নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত তারা হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে যাবে। ওদিকে হিজবুল্লাহ বলছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি না হওয়ার পর্যন্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই চলবে। ইসরায়েলের হাইফা শহরের কাছে একটি বাড়িসহ বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং উদ্ধারকারী দল আহতদের চিকিৎসা দিয়েছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিজবুল্লাহ বলেছে, তারা ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাকের এক কর্মকর্তা বলেছেন, লেবাননের সঙ্গে আমাদের সমর্থনের ফ্রন্টে নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে তারা রোববার ভোরে ইসরায়েলে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গাজা ও লেবাননের সংঘাত ওই অঞ্চলের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। লেবাননের রাজধানীর উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই হামলা চালানো হল। রোববার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের প্রায় এক বছরের সংঘাতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলায় শুক্রবার দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতা ইব্রাহিম আকিল ও আরেক কমান্ডার আহমেদ ওয়াহবিসহ ১৬ সদস্য নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা আকিল ও হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান বাহিনীর নেতাদের একটি গোপন সমাবেশে হামলা চালিয়েছে এবং তাদের সামরিক চেইন অব কমান্ড প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।  একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় শহরতলির একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু ও সাতজন নারী রয়েছেন। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবারের হামলায় পেজার ও ওয়াকিটকি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন তিন হাজারের বেশি। ইসরায়েল জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি। বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে হামলার প্রাথমিক প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ রোববার ইসরায়েলি সামরিক-শিল্প স্থাপনায় রকেট হামলা চালিয়েছে জানিয়ে তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করেছে। ইসরায়েল দ্রুত এর জবাব দিয়ে লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। হিজবুল্লাহ বলেছে, ইসরাইল গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, শিগগিরই এই হামলা থামার সম্ভাবনা নেই। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ট, গত সপ্তাহে বলেছিলেন, ইসরায়েল উত্তর সীমান্তে যুদ্ধের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তিনি লিখেন, “আমাদের লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত নতুন পর্যায়ে পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।” গত এক সপ্তাহে লেবাননে কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত হয়েছে। ২০০৬ সালের পরে সবচেয়ে ভয়াবহ ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে গত বছর অক্টোবর থেকে এই পর্যন্ত দেশটিতে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। তারপর থেকে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলার মধ্যে ওই অঞ্চল থেকে দুই দেশের হাজার হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।