ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভালুকায় দোকানে পিস্তল দেখিয়ে চাঁদা দাবি, দুই কিশোর আটক

ময়মনসিংহের ভালুকায় এক দোকানদারকে পিস্তল দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও দোকান বন্ধের হুমকি দেয়ার সময় স্থানীয় জনতা দুই কিশোরকে ধরে ফেলে। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া এলাকায় বাদশা টেক্সটাইল মিলের ২ নম্বর গেইটে মো. মেহেদী হাসান প্রিন্সের দোকানে এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃত কিশোররা হলো-ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ী গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে সিফাত (১৬) ও একই উপজেলার চারিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সাদিকুল ইসলাম (১৭)। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও এক কিশোর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান মালিকের বরাত দিয়ে জানা যায়, তিন কিশোর দোকানে ঢুকে একটি পিস্তল প্রদর্শন করে চাঁদার দাবি করে এবং হুমকি দেয়—চাঁদা না দিলে দোকান বন্ধ করে দেবে। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিফাত ও সাদিকুলকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর, দোকান মালিক মো. মেহেদী হাসান প্রিন্স ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির জানান, “আটককৃতদের কাছ থেকে জব্দকৃত পিস্তলটি খেলনা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

ভালুকায় দোকানে পিস্তল দেখিয়ে চাঁদা দাবি, দুই কিশোর আটক

আপডেট সময় ০৯:২০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকায় এক দোকানদারকে পিস্তল দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও দোকান বন্ধের হুমকি দেয়ার সময় স্থানীয় জনতা দুই কিশোরকে ধরে ফেলে। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া এলাকায় বাদশা টেক্সটাইল মিলের ২ নম্বর গেইটে মো. মেহেদী হাসান প্রিন্সের দোকানে এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃত কিশোররা হলো-ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ী গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে সিফাত (১৬) ও একই উপজেলার চারিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সাদিকুল ইসলাম (১৭)। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও এক কিশোর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান মালিকের বরাত দিয়ে জানা যায়, তিন কিশোর দোকানে ঢুকে একটি পিস্তল প্রদর্শন করে চাঁদার দাবি করে এবং হুমকি দেয়—চাঁদা না দিলে দোকান বন্ধ করে দেবে। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিফাত ও সাদিকুলকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর, দোকান মালিক মো. মেহেদী হাসান প্রিন্স ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির জানান, “আটককৃতদের কাছ থেকে জব্দকৃত পিস্তলটি খেলনা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”