ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা-স্পেন

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • 42

শেষ সময়ের গোলে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ফাইনাল নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-১ গোলে। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বুধবার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে গোল হজমের পর একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো করেন সমতা ফেরানো গোল। তারপর ইনজুরি টাইমে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করলেন। ৯২ মিনিটে ২-১ গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

৬৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলি নেমেই ম্যাচে ছাপ রাখেন গঞ্জালেজ। পরের মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি লম্বা বল হেড করেছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ড বিপদমুক্ত করে।

৬৯ মিনিটে ডানদিক থেকে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেড করেছিলেন গঞ্জালেজ। কিন্তু পিকফোর্ড নিচু ডাইভে অবিশ্বাস্য সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন।

৭২ মিনিটে আর্জেন্টিনা তিনটি পরিবর্তন আনে। সিমিওনে, মলিনা ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে উঠিয়ে দে পল, মোন্তিয়েল ও ওতামেন্দিকে নামান স্কালোনি।

চার মিনিট পর দে পলের বাড়ানো ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটে গঞ্জালেজের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। লাইন্সম্যান ততক্ষণে অফসাইডের পতাকা ওড়ান।

৮৪ মিনিটে এনজোর শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে ২৫ গজ দূর থেকে শট নেন তিনি। বল পিকফোর্ডের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যোগ করা সময়ে। রেফারি ৯ মিনিট বাড়তি সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ এক ক্রসে হেড করেন লাউতারো মার্তিনেজ। বল জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনালে যাওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা-স্পেন

আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

শেষ সময়ের গোলে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ফাইনাল নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-১ গোলে। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বুধবার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে গোল হজমের পর একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো করেন সমতা ফেরানো গোল। তারপর ইনজুরি টাইমে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করলেন। ৯২ মিনিটে ২-১ গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

৬৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলি নেমেই ম্যাচে ছাপ রাখেন গঞ্জালেজ। পরের মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি লম্বা বল হেড করেছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ড বিপদমুক্ত করে।

৬৯ মিনিটে ডানদিক থেকে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেড করেছিলেন গঞ্জালেজ। কিন্তু পিকফোর্ড নিচু ডাইভে অবিশ্বাস্য সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন।

৭২ মিনিটে আর্জেন্টিনা তিনটি পরিবর্তন আনে। সিমিওনে, মলিনা ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে উঠিয়ে দে পল, মোন্তিয়েল ও ওতামেন্দিকে নামান স্কালোনি।

চার মিনিট পর দে পলের বাড়ানো ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটে গঞ্জালেজের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। লাইন্সম্যান ততক্ষণে অফসাইডের পতাকা ওড়ান।

৮৪ মিনিটে এনজোর শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে ২৫ গজ দূর থেকে শট নেন তিনি। বল পিকফোর্ডের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যোগ করা সময়ে। রেফারি ৯ মিনিট বাড়তি সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ এক ক্রসে হেড করেন লাউতারো মার্তিনেজ। বল জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনালে যাওয়া।