ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
হিলি স্থলবন্দর

৯ মাস বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

দেশের বাজারে দাম সহনশীল রাখতে সরকার ভারত কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি দিয়েছে রবিবার (২ আগস্ট)। ফলে প্রায় ৯ মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে স্থলবন্দরের প্রাণ ফিরে এসেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভারত থেকে মরিচবোঝাই চারটি ট্রাক প্রবেশের মধ্যে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়।
রাজ এন্টারপ্রাইজ, সজিব এন্টারপ্রাইজ, আল মক্কা ও মেহেদী এন্টারপ্রাইজ নামের চারটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের নাসিক ও বিহার থেকে (৩০০) ডলারে এসব মরিচ আমদানি করছে। প্রথম দিনে সর্বশেষ চারটি ট্রাকে ২৯ মেট্রিক টন ৪৪০ কেজি কাঁচামরিচ দেশে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বন্দরে সরজমিনে দেখা ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ গুলো দেশী পণ্যবাহী ট্রাকে রাজধানী ঢাকা দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যাবে এবং ভারতীয় ট্রাক থেকে কাঁচামরিচ আনলোড করতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচামরিচের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ। দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে কাঁচামরিচের আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

ইতোমধ্যে ৬৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি পেয়েছে। এরমধ্যে হিলি স্থলবন্দর থেকে ১৬টি আমদানি প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এর আগে সবশেষ ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছিল।

সজীব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে দেশীয় কাঁচামরিচ নষ্ট হয়ে গেছে এবং বাজারে সরবরাহ না থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে পণ্যটির দাম সহনশীল রাখতে সরকার অনলাইনে আইপি অনুমোদনে আবেদনের ব্যবস্থা করেছে। আমরা সেই মোতাবেক আবেদন করেছি এবং আইপি অনুমতি পেয়েছি। আজকে আমাদের কাঁচামরিচ গুলো ভারতের নাসিক থেকে (৩০০) ডলারে আমদানি করা হয়েছে। প্রথম দিনের আমদানিকৃত মরিচ পোর্টে ট্রাকসেল বিক্রি হবে না। তাই দ্রুত এসব কাঁচামরিচ রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৬৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি পেয়েছে। এরমধ্যে হিলি বন্দরে ১৬ টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতি পেয়েছে তারমধ্য আমরাও পেয়েছি।

হিলি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকারভেদে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছিল। আজ ভারত থেকে আমদানি খবরে কিছুটা কমেছে। আজ প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা। আমদানিকৃত কাঁচামরিচ স্থানীয় বাজারে ঢুকলে দাম আরও কমে আসবে বলে জানান দোকানীরা।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম সহনশীল রাখতে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আজ প্রথম দিনেই চারটি ট্রাকে ২৯ মেট্রিক টন ৪৪০ কেজি আমদানি করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বর্তমান ১৬ জন আমদানিকারক পাঁচ হাজার ১০০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি অনুমতি পেয়েছেন। পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

হিলি স্থলবন্দর

৯ মাস বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

আপডেট সময় ১১:৪২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে দাম সহনশীল রাখতে সরকার ভারত কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি দিয়েছে রবিবার (২ আগস্ট)। ফলে প্রায় ৯ মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে স্থলবন্দরের প্রাণ ফিরে এসেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভারত থেকে মরিচবোঝাই চারটি ট্রাক প্রবেশের মধ্যে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়।
রাজ এন্টারপ্রাইজ, সজিব এন্টারপ্রাইজ, আল মক্কা ও মেহেদী এন্টারপ্রাইজ নামের চারটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের নাসিক ও বিহার থেকে (৩০০) ডলারে এসব মরিচ আমদানি করছে। প্রথম দিনে সর্বশেষ চারটি ট্রাকে ২৯ মেট্রিক টন ৪৪০ কেজি কাঁচামরিচ দেশে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বন্দরে সরজমিনে দেখা ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ গুলো দেশী পণ্যবাহী ট্রাকে রাজধানী ঢাকা দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যাবে এবং ভারতীয় ট্রাক থেকে কাঁচামরিচ আনলোড করতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচামরিচের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ। দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে কাঁচামরিচের আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

ইতোমধ্যে ৬৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি পেয়েছে। এরমধ্যে হিলি স্থলবন্দর থেকে ১৬টি আমদানি প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এর আগে সবশেষ ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছিল।

সজীব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে দেশীয় কাঁচামরিচ নষ্ট হয়ে গেছে এবং বাজারে সরবরাহ না থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে পণ্যটির দাম সহনশীল রাখতে সরকার অনলাইনে আইপি অনুমোদনে আবেদনের ব্যবস্থা করেছে। আমরা সেই মোতাবেক আবেদন করেছি এবং আইপি অনুমতি পেয়েছি। আজকে আমাদের কাঁচামরিচ গুলো ভারতের নাসিক থেকে (৩০০) ডলারে আমদানি করা হয়েছে। প্রথম দিনের আমদানিকৃত মরিচ পোর্টে ট্রাকসেল বিক্রি হবে না। তাই দ্রুত এসব কাঁচামরিচ রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৬৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির আইপি অনুমতি পেয়েছে। এরমধ্যে হিলি বন্দরে ১৬ টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতি পেয়েছে তারমধ্য আমরাও পেয়েছি।

হিলি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকারভেদে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছিল। আজ ভারত থেকে আমদানি খবরে কিছুটা কমেছে। আজ প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা। আমদানিকৃত কাঁচামরিচ স্থানীয় বাজারে ঢুকলে দাম আরও কমে আসবে বলে জানান দোকানীরা।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম সহনশীল রাখতে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আজ প্রথম দিনেই চারটি ট্রাকে ২৯ মেট্রিক টন ৪৪০ কেজি আমদানি করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বর্তমান ১৬ জন আমদানিকারক পাঁচ হাজার ১০০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি অনুমতি পেয়েছেন। পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।