ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
পাশে ৫ পৃষ্ঠার চিরকুট-সিরিঞ্জ

হোস্টেলের কক্ষে পড়ে ছিল মেডিকেলছাত্রীর লাশ

কলেজ হোস্টেলের কক্ষ থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১২ আগস্ট, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ৩১১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ছাত্রীর নাম শরিফা ইয়াসমিন সৌমা (২১)। তিনি এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং খুলনার খালিশপুরের তায়েদুর রহমান এবং ফাতেমা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, সৌমা শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট ও ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করেছে। ৪-৫ পৃষ্ঠার ওই চিরকুটে তিনি মানসিক চাপ ও নানা কষ্টের কথা লিখেছেন।

সহপাঠী ও বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সৌমা দীর্ঘদিন ধরে পড়াশোনা, ব্যক্তি জীবনসহ বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপে ভুগছিলেন।

তিনি জানান, মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ময়মনসিংহের পথে রওনা হয়েছেন সৌমার বাবা-মা। তারা পৌঁছানোর পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরোয়ার্দী হোসেন বলেন, সৌমার কক্ষে আরেকজন ছাত্রী থাকেন। আজ সকালে ওই ছাত্রী ক্লাসে যাওয়ার সময় সৌমাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমের দরজা স্বাভাবিকভাবে চাপানো অবস্থায় পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

পাশে ৫ পৃষ্ঠার চিরকুট-সিরিঞ্জ

হোস্টেলের কক্ষে পড়ে ছিল মেডিকেলছাত্রীর লাশ

আপডেট সময় ০২:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

কলেজ হোস্টেলের কক্ষ থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১২ আগস্ট, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ৩১১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ছাত্রীর নাম শরিফা ইয়াসমিন সৌমা (২১)। তিনি এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং খুলনার খালিশপুরের তায়েদুর রহমান এবং ফাতেমা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, সৌমা শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট ও ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করেছে। ৪-৫ পৃষ্ঠার ওই চিরকুটে তিনি মানসিক চাপ ও নানা কষ্টের কথা লিখেছেন।

সহপাঠী ও বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সৌমা দীর্ঘদিন ধরে পড়াশোনা, ব্যক্তি জীবনসহ বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপে ভুগছিলেন।

তিনি জানান, মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ময়মনসিংহের পথে রওনা হয়েছেন সৌমার বাবা-মা। তারা পৌঁছানোর পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরোয়ার্দী হোসেন বলেন, সৌমার কক্ষে আরেকজন ছাত্রী থাকেন। আজ সকালে ওই ছাত্রী ক্লাসে যাওয়ার সময় সৌমাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমের দরজা স্বাভাবিকভাবে চাপানো অবস্থায় পায়।