ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

হোটেল ওয়েস্টিন থেকে মার্কিন নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম টেরেন্স আরভেল জ্যাকসন (৫০)। রোববার (৩১ আগস্ট) হোটেলের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান।

ওসি জানান, ওই ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া নিজেদের জিম্মায় নিয়ে গেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়িক কাজে কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে আসেন তিনি। গত ২৯ এপ্রিল উঠেছিলেন হোটেল ওয়েস্টিনে।

ওসি হাফিজুর বলেন, রোববার দুপুরে কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ জ্যাকসনকে ডাকাডাকি করেও সাড়া পায়নি। পরে পুলিশ ও মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দরজা খোলার পর তাকে কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ওসি আরও জানান, মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে একজন চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তা মরদেহটি পরীক্ষা করেন। পরে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয়েছে- এমন ধারণা পাওয়ার পর দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।

ঘটনাস্থলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশনসহ অন্যান্য তদন্তকারী ইউনিটের কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

হোটেল ওয়েস্টিন থেকে মার্কিন নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম টেরেন্স আরভেল জ্যাকসন (৫০)। রোববার (৩১ আগস্ট) হোটেলের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান।

ওসি জানান, ওই ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া নিজেদের জিম্মায় নিয়ে গেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়িক কাজে কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে আসেন তিনি। গত ২৯ এপ্রিল উঠেছিলেন হোটেল ওয়েস্টিনে।

ওসি হাফিজুর বলেন, রোববার দুপুরে কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ জ্যাকসনকে ডাকাডাকি করেও সাড়া পায়নি। পরে পুলিশ ও মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দরজা খোলার পর তাকে কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ওসি আরও জানান, মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে একজন চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তা মরদেহটি পরীক্ষা করেন। পরে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয়েছে- এমন ধারণা পাওয়ার পর দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।

ঘটনাস্থলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশনসহ অন্যান্য তদন্তকারী ইউনিটের কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন।