ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় ছাত্রদল নেতা উদ্ধার

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বড় কালিয়ান এলাকায় সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টায় হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় এক ছাত্রদল নেতা উদ্ধার হয়েছেন।

আহত ছাত্রদল নেতা হলেন জাহাঙ্গীর আলম দিদার (৩০), স্থানীয় মরিচপুর গ্রামের আজু মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাদল ভূঞার ইটখোলা এলাকার পাশে অচেতন অবস্থায় দিদারকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

রাত ১১টায় হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল।

আহত দিদারের চাচাতো ভাই হাসান জানিয়েছেন, ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

বিরোধী পক্ষের কয়েকজন আগে থেকেই তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনাটি দলীয় কোন্দল বা পূর্বশত্রুতির জের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনা শুনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পুলিশ হাসপাতালেও পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন মোহাম্মদ তমজিদ বলেন, “বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা বানচাল করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ এই ঘটনা ঘটাতে পারে।

আমরা এটি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছি এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় ছাত্রদল নেতা উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বড় কালিয়ান এলাকায় সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টায় হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় এক ছাত্রদল নেতা উদ্ধার হয়েছেন।

আহত ছাত্রদল নেতা হলেন জাহাঙ্গীর আলম দিদার (৩০), স্থানীয় মরিচপুর গ্রামের আজু মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাদল ভূঞার ইটখোলা এলাকার পাশে অচেতন অবস্থায় দিদারকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

রাত ১১টায় হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল।

আহত দিদারের চাচাতো ভাই হাসান জানিয়েছেন, ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

বিরোধী পক্ষের কয়েকজন আগে থেকেই তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনাটি দলীয় কোন্দল বা পূর্বশত্রুতির জের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনা শুনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পুলিশ হাসপাতালেও পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন মোহাম্মদ তমজিদ বলেন, “বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা বানচাল করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ এই ঘটনা ঘটাতে পারে।

আমরা এটি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছি এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।