ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

সার আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন : কৃষি মন্ত্রণালয়

সার আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগকে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নন-ইউরিয়া সার আমদানি ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরের ভিত্তিতে করা হয়। পূর্বে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দরে সার সরবরাহের সুযোগ থাকলেও বর্তমান সরকার সর্বনিম্ন দর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিপুল অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, সার আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বুলেটিন ‘আরগুস’ ও ‘ফার্টিকন’-এর মূল্য তালিকা অনুসরণ করা হয়। অবস্থান ও জাহাজ ভাড়ার কারণে দেশভেদে দামের পার্থক্য থাকলেও তা নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

এ অর্থবছরে অতিরিক্ত দর প্রস্তাব করা আমদানিকারকদের প্রস্তাব বাতিল করে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম দফায় এবং পরে আরও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত দামে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে।

সার আমদানিতে সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রয়েছে বলে মন্ত্রণালয় দাবি করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

সার আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন : কৃষি মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০১:৩২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সার আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগকে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নন-ইউরিয়া সার আমদানি ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরের ভিত্তিতে করা হয়। পূর্বে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দরে সার সরবরাহের সুযোগ থাকলেও বর্তমান সরকার সর্বনিম্ন দর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিপুল অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, সার আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বুলেটিন ‘আরগুস’ ও ‘ফার্টিকন’-এর মূল্য তালিকা অনুসরণ করা হয়। অবস্থান ও জাহাজ ভাড়ার কারণে দেশভেদে দামের পার্থক্য থাকলেও তা নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

এ অর্থবছরে অতিরিক্ত দর প্রস্তাব করা আমদানিকারকদের প্রস্তাব বাতিল করে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম দফায় এবং পরে আরও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত দামে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে।

সার আমদানিতে সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রয়েছে বলে মন্ত্রণালয় দাবি করে।