ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে পৌরসভা। সোমবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফুটপাত ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় ২৫০টি দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার কামাল আহম্মেদ।

সূত্র জানায়, প্রথমে জজকোর্ট মোড় থেকে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে সিভিল কোর্ট মোড়, টাউন হল ময়দানের সামনের ফুটপাতের সব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অভিযানকারীরা কালেক্টরেট চত্বরের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করেন। বুলডোজারের সাহায্যে দোকানপাট গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। অভিযানকারীরা এরপর দড়াটানা মোড়ে যান। সেখানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বিশেষ করে খেলাধুলার দোকান এবং রজনীগন্ধা ফুলের দোকানগুলোর আশপাশে যে বাড়তি স্থাপনা গড়ে উঠেছিল, সেগুলো ভেঙে দেওয়া হয়। দড়াটানায় অভিযান শেষে দলটি বকুলতলা এলাকায় অভিযান চালায় এবং সেখানেও ফুটপাতের দোকানগুলো অপসারণ করা হয়।

যশোর পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার কামাল আহম্মেদ বলেন, আজকের অভিযানে অন্তত ২৫০টি ফুটপাতের দোকান ও অবৈধ স্থাপনা সরানো হয়েছে। যশোর শহরকে ফুটপাত দখলমুক্ত ও জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপযুক্ত করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে শহরকে শৃঙ্খলিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় ১০:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে পৌরসভা। সোমবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফুটপাত ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় ২৫০টি দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার কামাল আহম্মেদ।

সূত্র জানায়, প্রথমে জজকোর্ট মোড় থেকে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে সিভিল কোর্ট মোড়, টাউন হল ময়দানের সামনের ফুটপাতের সব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অভিযানকারীরা কালেক্টরেট চত্বরের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করেন। বুলডোজারের সাহায্যে দোকানপাট গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। অভিযানকারীরা এরপর দড়াটানা মোড়ে যান। সেখানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বিশেষ করে খেলাধুলার দোকান এবং রজনীগন্ধা ফুলের দোকানগুলোর আশপাশে যে বাড়তি স্থাপনা গড়ে উঠেছিল, সেগুলো ভেঙে দেওয়া হয়। দড়াটানায় অভিযান শেষে দলটি বকুলতলা এলাকায় অভিযান চালায় এবং সেখানেও ফুটপাতের দোকানগুলো অপসারণ করা হয়।

যশোর পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার কামাল আহম্মেদ বলেন, আজকের অভিযানে অন্তত ২৫০টি ফুটপাতের দোকান ও অবৈধ স্থাপনা সরানো হয়েছে। যশোর শহরকে ফুটপাত দখলমুক্ত ও জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপযুক্ত করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে শহরকে শৃঙ্খলিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।