কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের অপপ্রচার বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখা। সেখানে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়া ও তা প্রচারের তীব্র নিন্দা জানান কুষ্টিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল খালেক বলেন, সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়ার বড় বড় অনুষ্ঠান ও মানবিক কার্যক্রম দেখে একটি স্বার্থান্বেসী মহলের চক্ষুশুল হয়েছে। তারা নানাভাবে গণঅধিকারের অমঙ্গল কামনায় মাঠে নেমেছে। কুষ্টিয়া জেলার লাহিনী বটতলা হাউজিং প্রকল্প ঘিরে গণঅধিকার পরিষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। শুধু কুষ্টিয়া নয়, মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা জেলার নেতাদের জড়িয়ে এ ধরনের প্রচার উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার কোনো ধরনের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজিতে সম্পৃক্ত না। এ ধরনের রাজনীতিতে বিশ্বাসও করে না গণঅধিকার। আলোচিত ওই হাউজিং প্রকল্পের সমস্ত জমি স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে বন্টন হয়েছ্ েবেশিরভাগ প্লট আওয়ামী লীগের লোকজনই পেয়েছে। সেটাও আমাদের কথা না। কিন্তু গণঅধিকার পরিষদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না। এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আব্দুল খালেক বলেন, যে অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার সঙ্গে যদি আমাদের একজন কর্মীও জড়িত থাকেন; তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অবশ্যই যারা অভিযোগ তুলেছেন, তাদের সেই প্রমাণ দিতে হবে। নয়তবা কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এতে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ জেলার সভাপতি মিলন মালিথা, যুব অধিকার পরিষদ’র জেলার আহ্বায়ক জিলহজ খান, সদস্য সচিব মিনহাজুল হক পাপ্পু, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া পৌর শাখার সভাপতি এম এ শাহেদ ভিপি রঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাব্বির আহমেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি রাজিজুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুরসালিন আলম রাফিদ।
নিজস্ব সংবাদ : 










