ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ঈশ্বরদীতে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় একটি দোকানে চুরি করতে গিয়ে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ধারালো অস্ত্রাঘাতে দোকান মালিক ও তার ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া ঠান্ডাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মানিক হোসেন ওরফে সুমন (৩২) একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর আজিজলতলা গ্রামের মৃত বয়েন মণ্ডলের ছেলে।

আহত দোকান মালিক হাবিবুল মন্ডলের অভিযোগ, গভীর রাতে তার মুদি দোকানে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন মানিক ওরফে সুমন। দোকানের পাশেই বসতবাড়ি হওয়ায় শব্দ পেয়ে তিনি বাইরে বের হয়ে চোরকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় অভিযুক্ত সুমন তার কাছে থাকা একটি চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। হাবিবুলের চিৎকারে তার দুই ছেলে এগিয়ে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে অভিযুক্ত মানিক ওরফে সুমন ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

আহত মুদি দোকানি হাবিবুল ইসলাম ও তার দুই ছেলেকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ঈশ্বরদীতে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

আপডেট সময় ০৪:০৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় একটি দোকানে চুরি করতে গিয়ে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ধারালো অস্ত্রাঘাতে দোকান মালিক ও তার ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া ঠান্ডাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মানিক হোসেন ওরফে সুমন (৩২) একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর আজিজলতলা গ্রামের মৃত বয়েন মণ্ডলের ছেলে।

আহত দোকান মালিক হাবিবুল মন্ডলের অভিযোগ, গভীর রাতে তার মুদি দোকানে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন মানিক ওরফে সুমন। দোকানের পাশেই বসতবাড়ি হওয়ায় শব্দ পেয়ে তিনি বাইরে বের হয়ে চোরকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় অভিযুক্ত সুমন তার কাছে থাকা একটি চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। হাবিবুলের চিৎকারে তার দুই ছেলে এগিয়ে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে অভিযুক্ত মানিক ওরফে সুমন ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

আহত মুদি দোকানি হাবিবুল ইসলাম ও তার দুই ছেলেকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।