ঢাকা অফিস ॥ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) টিউশন ফি বাদে ২৩ ধরনের ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। মোট চার ক্যাটাগরিতে এসব ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—মাধ্যমিক (এমপিও প্রতিষ্ঠান), মাধ্যমিক (নন–এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান), কলেজ (এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান) ও কলেজ (নন–এমপিও প্রতিষ্ঠান)। এ ছাড়া টিউশন ফি নির্ধারণের জন্য মহানগর ও জেলা সদরে আলাদা কমিটি করার বিধান করা হয়েছে। রোববার রাতে জারি করা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি নীতিমালা–২৪ থেকে এসব তথ্য জানা যায়। জারি করা পরিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী। নীতিমালায় অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা, মুদ্রণ, টিফিন, ম্যাগাজিন, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক উৎসব, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদ্?যাপন, বিভিন্ন ক্লাব গঠন, লাইব্রেরি, কল্যাণ/দারিদ্র্য তহবিল, আইসিটি, বাগান ও বাগান পরিচর্যা, ল্যাবরেটরি, স্কাউট, কমনরুম, পরিচয়পত্র, নবীনবরণ–বিদায় সংবর্ধনা, চিকিৎসা সেবা, বিবিধ, উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, শিক্ষা সফর ফি ইত্যাদি খাতে কত টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদায় করতে পারবে, তাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই ফি সর্বনিম্ন ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা। নীতিমালায় টিউশন ফি নির্ধারণে মহানগর ও জেলা কমিটি করার কথা বলা হয়েছে। মহানগর কমিটিতে সভাপতি থাকবেন-অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি/সার্বিক) এবং সদস্যসচিব থাকবেন, আঞ্চলিক উপপরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর)। এই কমিটিতে সদস্য থাকবেন- জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), নন-এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), নন-এমপিও স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। আর জেলা সদর পৌর এলাকার ও উপজেলার কমিটিতে সভাপতি থাকবেন জেলা প্রশাসক, সদস্যসচিব হিসেবে থাকবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে থাকবেন- উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), পৌরসভা পর্যায়ে নন–এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) এবং উপজেলা পর্যায়ে নন-এমপিও স্কুলের একজন প্?ধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রতি বছর অক্টোবর মাসের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিনিধি নির্বাচন করে কমিটির সভাপতিকে অবহিত করবেন। এ ছাড়া নীতিমালায় মাসিক বেতন/টিউশন ফি এবং তফসিলে বর্ণিত খাতে আদায়কৃত অর্থ তফসিলি ব্যাংকে নির্দিষ্ট হিসাবে রাখার কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, কোনো একক খাতে বাৎসরিক আদায় ১০ লাখ টাকার বেশি হলে এ খাতের জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে। আদায়কৃত অর্থ আবশ্যিকভাবে খাতভিত্তিক ব্যয় করতে হবে এবং এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। সব আয় ও ব্যয় ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
টপ নিউজ :
বেসরকারি স্কুল-কলেজে ২৩ ধরনের ফি নির্ধারণ করে দিল সরকার
-
নিজস্ব সংবাদ : - আপডেট সময় ০৯:০৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
- 85
জনপ্রিয় সংবাদ











