ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ছুটির দিনও সচিবালয় কর্মচারীদের প্রতিবাদ সমাবেশ

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশকে কর্মচারী বিরোধী ও কালো আইন উল্লেখ করে সদ্য জারিকৃত এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান তারা।

কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ সুবিধা ভাতা প্রত্যাহারের দাবি করছেন। তারা বলছেন, এই ভাতা কার্যকর হওয়ার ফলে তাদের বর্তমান ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হয়ে যাবে, যা তাদের জন্য একটি ক্ষতির কারণ হবে। তারা এই সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি, নতুন করে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদানেরও দাবি করছেন।

বক্তারা বলছেন,সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার একটি কালো আইন তৈরি করা নজির দেখিয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে। এতে কর্মচারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে আইন বাতিলের দাবি জানান তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে সচিবালয় ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ছুটির দিনও সচিবালয় কর্মচারীদের প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট সময় ০৪:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশকে কর্মচারী বিরোধী ও কালো আইন উল্লেখ করে সদ্য জারিকৃত এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান তারা।

কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ সুবিধা ভাতা প্রত্যাহারের দাবি করছেন। তারা বলছেন, এই ভাতা কার্যকর হওয়ার ফলে তাদের বর্তমান ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হয়ে যাবে, যা তাদের জন্য একটি ক্ষতির কারণ হবে। তারা এই সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি, নতুন করে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদানেরও দাবি করছেন।

বক্তারা বলছেন,সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার একটি কালো আইন তৈরি করা নজির দেখিয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে। এতে কর্মচারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে আইন বাতিলের দাবি জানান তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে সচিবালয় ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।