ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

‘এ বছরের শেষের দিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে পারে’

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। এ বছরের শেষের দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।দ্রুত কিভাবে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।আমার বিশ্বাস, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাব।

শনিবার (১ আগস্ট)বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প ও উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার ১৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি গ্রুপে কাজ শুরু করতে চাইলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।এ সময় তিনি বলেন, আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই, আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

‘এ বছরের শেষের দিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে পারে’

আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। এ বছরের শেষের দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।দ্রুত কিভাবে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।আমার বিশ্বাস, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাব।

শনিবার (১ আগস্ট)বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প ও উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার ১৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি গ্রুপে কাজ শুরু করতে চাইলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।এ সময় তিনি বলেন, আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই, আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।