সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত ‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’ ঈদের আগেই ফয়সালা চেয়েছে। একইসঙ্গে অধ্যাদেশ প্রত্যাহারে কোনো ব্যতিক্রম হলে পরবর্তীতে সবার সাথে আলোচনা করে কর্মসূচি দেয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে ১ ঘণ্টার কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন শেষে এসব কথা জানায় সংগঠনের নেতারা।
কর্মবিরতি শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের লাইব্রেরিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’ এর কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির বলেন, সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দাবি পূরণ হলে কর্মচারীরা সুন্দর পরিবেশে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা দেশের বাইরে অবস্থান করার কারণে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষমাণ। সেকারণে মাঝে একদিন কর্মসূচি থেকে বিরত ছিলাম। সিনিয়র সচিবদের অনুরোধে কঠোর কর্মসূচি থেকে সরে এসে ১ ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলাম। আজ সেটি কর্মচারীরা পালন করেছে।
এসময় উচ্ছৃঙ্খল বা ধ্বংসাত্মক কিছু না করতে কর্মচারীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান বাদিউল কবির।
‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’ এর আরেক কো চেয়ারম্যান মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতনরা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন। ঈদের আগে সময় আছে চার দিন। প্রধান উপদেষ্টা আসবেন শনিবার। রোববার হয়তো আশাব্যঞ্জক খবর পাবো।
তিনি জানান, আগামী রোববার সকাল ১১টায় বাদামতলায় জমায়েত হয়ে ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেয়া হবে।
মো. নূরুল ইসলাম আরও বলেন, পরে সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে স্মারকলিপি দেয়া হবে। তবে রোববার পজিটিভ খবর পেলে সব কর্মসূচি শেষ করে কাজে ফিরে যাবো।
তিনি বলেন, মহার্ঘ ভাতা, পদোন্নতির ঘোষণা যেখানে আসার কথা সেখানে কর্মচারীদের অন্ধকারে রেখে এই অধ্যাদেশ করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল চাই। জেলা উপজেলা পর্যায়ে যারা আছেন তারা সংস্থা প্রধানের মাধ্যমে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিবেন।
নিজস্ব সংবাদ : 










