ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

‘আমদানি বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট না থাকায় হিলিতে কমেছে মসলার দাম’

কুরবানি ঈদ আসলেই বেড়ে যায় সব ধরণের মসলার দাম। গত কয়েক বছর ধরে সেই চিত্র লক্ষ করা গেছে। কিন্তু এবারের চিত্র উল্টো। দাম না বেড়ে বরং সবধরণের মসলার দাম কমেছে।

ব্যাবসায়ীরা জানান, আসন্ন ঈদকে ঘিরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট না থাকায় দাম কমেছে। দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ক্রেতাসাধারণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মসলা কিনতে ছুটে আসছেন ক্রেতা সাধারণ। কিনছেন পরিবারের ও আত্মীয় স্বাজনের জন্য। বুধবার (২৯ মে) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর এলাকার বাজারগুলো ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়।

কুরবানির ঈদে মাসলা সামগ্রীর মধ্যে চাহিদার শীর্ষে থাকা জিরাসহ, সাদা এলাচ, কালো এলাচ, আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫০-২০০ টাকা। প্রতিকেজি জিরা ৫০ টাকা কমে ৫৬০ টাকা, কালো এলাচ কেজিতে ২০০ টাকা কমে ২ হাজার ৬০০ টাকা, সাদা এলাচ ২০০ টাকা কমে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, রসুন ২০ টাকা কমে ৯০ টাকা, পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৪৫ টাকা, শুকনো মচির ২০ টাকা কমে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলা হিলি বাজারের খুচরা মসলা বিক্রেতা মোকাররম হোসেন জানান, প্রতি বছর ঈদ আসলে মসলার দাম বাড়ে। কিন্তু এবার দাম কমেছে। বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি ও বাজার ব্যবস্থায় নিন্ডিকেট না থাকায় দাম কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন বলেন, আগে সপ্তাহে এক থেকে দুই গাড়ি করে মসলা জাতীয় পণ্য আমদানি হত। কিন্তু ঈদকে ঘিরে এখন সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১২ গাড়িতে। প্রচুর এলসি খোলা হয়েছে। ঈদের আরও অন্তত ১০ দিন বাকি আছে। আশা করি দাম আরও কমবে।

এদিকে, হিলি কাস্টমসসের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বন্দর দিয়ে মসলা আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে আমদানিকৃত মসলা দ্রুত বাজারে সরবরাহ করতে পারে সেজন্য আগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত পণ্যগুলো শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ করা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের সবশেষ তথ্য মতে, গত ১৫ দিনে ১০২ ট্রাকে ২ হাজার ৯৯৫ টন জিরা, ৩৫ ট্রাকে ৬৩২ টন আদা আমদানি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

‘আমদানি বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট না থাকায় হিলিতে কমেছে মসলার দাম’

আপডেট সময় ০১:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

কুরবানি ঈদ আসলেই বেড়ে যায় সব ধরণের মসলার দাম। গত কয়েক বছর ধরে সেই চিত্র লক্ষ করা গেছে। কিন্তু এবারের চিত্র উল্টো। দাম না বেড়ে বরং সবধরণের মসলার দাম কমেছে।

ব্যাবসায়ীরা জানান, আসন্ন ঈদকে ঘিরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট না থাকায় দাম কমেছে। দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ক্রেতাসাধারণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মসলা কিনতে ছুটে আসছেন ক্রেতা সাধারণ। কিনছেন পরিবারের ও আত্মীয় স্বাজনের জন্য। বুধবার (২৯ মে) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর এলাকার বাজারগুলো ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়।

কুরবানির ঈদে মাসলা সামগ্রীর মধ্যে চাহিদার শীর্ষে থাকা জিরাসহ, সাদা এলাচ, কালো এলাচ, আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫০-২০০ টাকা। প্রতিকেজি জিরা ৫০ টাকা কমে ৫৬০ টাকা, কালো এলাচ কেজিতে ২০০ টাকা কমে ২ হাজার ৬০০ টাকা, সাদা এলাচ ২০০ টাকা কমে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, রসুন ২০ টাকা কমে ৯০ টাকা, পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৪৫ টাকা, শুকনো মচির ২০ টাকা কমে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলা হিলি বাজারের খুচরা মসলা বিক্রেতা মোকাররম হোসেন জানান, প্রতি বছর ঈদ আসলে মসলার দাম বাড়ে। কিন্তু এবার দাম কমেছে। বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি ও বাজার ব্যবস্থায় নিন্ডিকেট না থাকায় দাম কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন বলেন, আগে সপ্তাহে এক থেকে দুই গাড়ি করে মসলা জাতীয় পণ্য আমদানি হত। কিন্তু ঈদকে ঘিরে এখন সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১২ গাড়িতে। প্রচুর এলসি খোলা হয়েছে। ঈদের আরও অন্তত ১০ দিন বাকি আছে। আশা করি দাম আরও কমবে।

এদিকে, হিলি কাস্টমসসের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বন্দর দিয়ে মসলা আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে আমদানিকৃত মসলা দ্রুত বাজারে সরবরাহ করতে পারে সেজন্য আগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত পণ্যগুলো শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ করা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের সবশেষ তথ্য মতে, গত ১৫ দিনে ১০২ ট্রাকে ২ হাজার ৯৯৫ টন জিরা, ৩৫ ট্রাকে ৬৩২ টন আদা আমদানি হয়েছে।