ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক, ইরান-ইসরায়েল নিয়ে যা আলোচনা হলো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ জুন) পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হোয়াইট হাউসে নজিরবিহীন আতিথেয়তা দিয়েছেন। তার সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করে তিনি ‘সম্মানিত’ এবং তাদের মধ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো পাকিস্তানি সেনাপ্রধান হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আতিথেয়তা পেলেন। এই বৈঠক দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বজায় রাখতে ওয়াশিংটনের নতুন আগ্রহের বিষয়টিই তুলে ধরেছে, বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।

মধ্যাহ্নভোজের পর মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের বিষয়ে আলোচনায় হয়েছে কি না—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (পাকিস্তান) ইরানকে খুব ভালোভাবে চেনে, অন্য আর সবার চেয়ে ভালো এবং তারা কোনো কিছুতেই (ইরান-ইসরায়েল সংঘাত) খুশি নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা এমন নয় যে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে ভালো (সম্পর্ক রাখে)। তারা (পাকিস্তান) আসলে উভয়কেই জানে, তবে তারা সম্ভবত ইরানকে আরও ভালোভাবে জানে, তবে তারা (পাকিস্তান) দেখছে কী ঘটছে এবং তিনি (আসিম মুনির) আমার সঙ্গে একমত হয়েছিলেন।’

ট্রাম্প সুনির্দিষ্টভাবে বলেননি যে, পাকিস্তানি সেনাপ্রধান কোন বিষয়ে তার সঙ্গে একমত হয়েছেন। এরপর তিনি গত মাসের ভারত-পাকিস্তানের সামরিক সংঘাত নিয়েও কথা বলেন। তিনি এই সংঘাত শেষ করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে নিজের কৃতিত্ব দাবি করেছেন।

পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান গত ৭-১০ মে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সামরিক সংঘাতে জড়ায়। প্রায় চার দিন ধরে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং কামানের গোলা বিনিময় হয়। এরপর ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তিনি একটি যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতা করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার তাকে (মুনির) এখানে আনার কারণ হলো, আমি তাকে (ভারতের সঙ্গে) যুদ্ধে না যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চেয়েছিলাম, মানে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য।’ তিনি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও কৃতিত্ব দেন। ‘সুতরাং, আজ তার (মুনির) সঙ্গে দেখা করে আমি সম্মানিত।’

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক, ইরান-ইসরায়েল নিয়ে যা আলোচনা হলো

আপডেট সময় ০৩:০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ জুন) পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হোয়াইট হাউসে নজিরবিহীন আতিথেয়তা দিয়েছেন। তার সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করে তিনি ‘সম্মানিত’ এবং তাদের মধ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো পাকিস্তানি সেনাপ্রধান হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আতিথেয়তা পেলেন। এই বৈঠক দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বজায় রাখতে ওয়াশিংটনের নতুন আগ্রহের বিষয়টিই তুলে ধরেছে, বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।

মধ্যাহ্নভোজের পর মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের বিষয়ে আলোচনায় হয়েছে কি না—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (পাকিস্তান) ইরানকে খুব ভালোভাবে চেনে, অন্য আর সবার চেয়ে ভালো এবং তারা কোনো কিছুতেই (ইরান-ইসরায়েল সংঘাত) খুশি নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা এমন নয় যে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে ভালো (সম্পর্ক রাখে)। তারা (পাকিস্তান) আসলে উভয়কেই জানে, তবে তারা সম্ভবত ইরানকে আরও ভালোভাবে জানে, তবে তারা (পাকিস্তান) দেখছে কী ঘটছে এবং তিনি (আসিম মুনির) আমার সঙ্গে একমত হয়েছিলেন।’

ট্রাম্প সুনির্দিষ্টভাবে বলেননি যে, পাকিস্তানি সেনাপ্রধান কোন বিষয়ে তার সঙ্গে একমত হয়েছেন। এরপর তিনি গত মাসের ভারত-পাকিস্তানের সামরিক সংঘাত নিয়েও কথা বলেন। তিনি এই সংঘাত শেষ করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে নিজের কৃতিত্ব দাবি করেছেন।

পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান গত ৭-১০ মে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সামরিক সংঘাতে জড়ায়। প্রায় চার দিন ধরে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং কামানের গোলা বিনিময় হয়। এরপর ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তিনি একটি যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতা করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার তাকে (মুনির) এখানে আনার কারণ হলো, আমি তাকে (ভারতের সঙ্গে) যুদ্ধে না যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চেয়েছিলাম, মানে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য।’ তিনি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও কৃতিত্ব দেন। ‘সুতরাং, আজ তার (মুনির) সঙ্গে দেখা করে আমি সম্মানিত।’