ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে। গতকাল রবিবার (১৫সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার সময় সাহেবনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক(ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ শারমিন আখতারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে মানববন্ধন শেষে মিছিল নিয়ে তারা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক এবং শহরের এন এস রোড প্রদক্ষিন করে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট আরেকটি স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাহেবনগর নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধ কমিটি আহবায়ক মেহেদী হাসান ও  সদস্য সচিব মোঃ সহিদুল ইসলামসহ অসংখ্য এলাকাবাসী। স্মারকলিপি সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা, বহলবাড়ীয়া, বারুইপাড়া, তালবাড়ীয়া, ইউনিয়ানের নওদা খাদিমপুর, সাহেবনগর, মির্জানগর, ঘোড়ামারা, রানাখড়িয়া গ্রামের উত্তর দিকে প্রমত্ত পদ্মা নদী অবস্থিত, বিগত তিন বছর যাবত নদী গর্ভে এলাকাবাসীর হাজার হাজার একর আবাদি জমি বিলিন হয়ে গেছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রীডের ৬ (ছয়) টি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের টাওয়ার সহ, গ্রামের বসত বাড়ি, শতবর্ষী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, গোরস্থান, এবং উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের যোগাযোগের একমাত্র মহাসড়ক থেকে ৫০ মিটার দূরে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে পদ্মা নদী অবস্থান করছে। যে কোন মূহুর্তে উক্ত প্রতিষ্ঠান গুলি সহ বসতবাড়ি পদ্মা নদীর আগ্রাসী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এই মূহুর্তে অত্র এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা ভাঙ্গণ আতঙ্কে ঘুমহীন রাত্রীযাপন করছে। যদি বসত ভিটা টুকু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় তাহলে এলাকাবাসীদের রাস্তায় দাড়ানো ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না।অপরদিক এলাকাবাসী  যে রাস্তায় এসে দাড়াবে সে রাস্তাটিও বিলীন হয়ে যাবে। অন্যদিকে গত তিন বছর ধরে সাহেবনগর নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধ কমিটির, ভাঙ্গণ প্রতিরোধের আন্দোলনের সুবাধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বিশেষ সহযোগিতায় জিও ব্যাগের মাধ্যমে অস্থায়ী ভিত্তিতে সাময়িক ভাঙ্গণ প্রতিরোধ হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে নদী ভাঙ্গনের কারণে জিও ব্যাগের কোন অস্থিত্ব নেই। ২০২৪ সালে নদীর পানি বৃদ্ধি এবং অত্যাধিক স্রোতের কারণে নতুন করে নদী ভাঙ্গণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। তাই নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধে অতি দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন এলাকাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় ০৮:১১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে। গতকাল রবিবার (১৫সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার সময় সাহেবনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক(ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ শারমিন আখতারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে মানববন্ধন শেষে মিছিল নিয়ে তারা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক এবং শহরের এন এস রোড প্রদক্ষিন করে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট আরেকটি স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাহেবনগর নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধ কমিটি আহবায়ক মেহেদী হাসান ও  সদস্য সচিব মোঃ সহিদুল ইসলামসহ অসংখ্য এলাকাবাসী। স্মারকলিপি সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা, বহলবাড়ীয়া, বারুইপাড়া, তালবাড়ীয়া, ইউনিয়ানের নওদা খাদিমপুর, সাহেবনগর, মির্জানগর, ঘোড়ামারা, রানাখড়িয়া গ্রামের উত্তর দিকে প্রমত্ত পদ্মা নদী অবস্থিত, বিগত তিন বছর যাবত নদী গর্ভে এলাকাবাসীর হাজার হাজার একর আবাদি জমি বিলিন হয়ে গেছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রীডের ৬ (ছয়) টি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের টাওয়ার সহ, গ্রামের বসত বাড়ি, শতবর্ষী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, গোরস্থান, এবং উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের যোগাযোগের একমাত্র মহাসড়ক থেকে ৫০ মিটার দূরে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে পদ্মা নদী অবস্থান করছে। যে কোন মূহুর্তে উক্ত প্রতিষ্ঠান গুলি সহ বসতবাড়ি পদ্মা নদীর আগ্রাসী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এই মূহুর্তে অত্র এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা ভাঙ্গণ আতঙ্কে ঘুমহীন রাত্রীযাপন করছে। যদি বসত ভিটা টুকু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় তাহলে এলাকাবাসীদের রাস্তায় দাড়ানো ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না।অপরদিক এলাকাবাসী  যে রাস্তায় এসে দাড়াবে সে রাস্তাটিও বিলীন হয়ে যাবে। অন্যদিকে গত তিন বছর ধরে সাহেবনগর নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধ কমিটির, ভাঙ্গণ প্রতিরোধের আন্দোলনের সুবাধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বিশেষ সহযোগিতায় জিও ব্যাগের মাধ্যমে অস্থায়ী ভিত্তিতে সাময়িক ভাঙ্গণ প্রতিরোধ হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে নদী ভাঙ্গনের কারণে জিও ব্যাগের কোন অস্থিত্ব নেই। ২০২৪ সালে নদীর পানি বৃদ্ধি এবং অত্যাধিক স্রোতের কারণে নতুন করে নদী ভাঙ্গণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। তাই নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধে অতি দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন এলাকাসী।