ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় কবর থেকে তোলা হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বাবলু ফারাজীর মরদেহ

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী বাবলু ফারাজীর মরদেহ দাফনের ৫৫ দিন পর উত্তোলন করা হয়েছে। গত রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উত্তোলনের সময়  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পিবিআই কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পিবিআই কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার শহীদ আবু সরোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে বিকেল ৩টার দিকে শহরের থানার মোড় এলাকায় বাবলু ফারাজীকে (৫৮) গুলি করে ও এলোপাথাড়ি মারধর করে হত্যা করা হয়। বাবলু ফারাজী শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেরি করে গামছা, বিছানার চাদর ও লুঙ্গি বিক্রি করতেন। বাবলু ফারাজী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে। এ ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট নিহত বাবলু ফারাজীর ছেলে সুজন মাহমুদ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার আদালতে মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় কবর থেকে তোলা হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বাবলু ফারাজীর মরদেহ

আপডেট সময় ০৬:৪২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী বাবলু ফারাজীর মরদেহ দাফনের ৫৫ দিন পর উত্তোলন করা হয়েছে। গত রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উত্তোলনের সময়  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পিবিআই কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পিবিআই কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার শহীদ আবু সরোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে বিকেল ৩টার দিকে শহরের থানার মোড় এলাকায় বাবলু ফারাজীকে (৫৮) গুলি করে ও এলোপাথাড়ি মারধর করে হত্যা করা হয়। বাবলু ফারাজী শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেরি করে গামছা, বিছানার চাদর ও লুঙ্গি বিক্রি করতেন। বাবলু ফারাজী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে। এ ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট নিহত বাবলু ফারাজীর ছেলে সুজন মাহমুদ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার আদালতে মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।