ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা প্রতারক আরিফের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কথিত নেতা শেখ আরিফের প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন এলাকার অনেকে। আরিফকে দ্রুত গ্রেফতার এবং তার কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও প্রথম সারির ঠিকাদার খন্দকার টিপু সুলতান বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি শেরপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাছ থেকে দরপত্রের মাধ্যমে বেশ কিছু অকেজো লোহা ও স্ক্রাব ক্রয় করেন। তিনি সেসব মালামাল শেরপুর সড়ক বিভাগ থেকে আনতে গেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ তার লোকজনকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পরে খন্দকার টিপু সুলতান জানতে পারেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কথিত নেতা শেখ আরিফের সঙ্গে জাতীয় সংসদের তৎকালীন হুইপ ও শেরপুরের সাবেক সাংসদ আতিকুল ইসলামের গভীর সখ্যতা রয়েছে। এ কারণে তিনি আরিফের মাধ্যমে সমঝোতা করে শেরপুর থেকে মালামালগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করেন। শেখ আরিফ হুইপ আতিকুল ইসলামকে দেয়ার নাম করে ঠিকাদার খন্দকার টিপু সুলতানের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু অদ্যাবধি তিনি সেই মালামাল বুঝে পাননি। এ অবস্থায় তিনি টাকা ফেরত চাইলে আরিফ টাকা না দিয়ে টিপু সুলতানকে উল্টো হুমকি প্রদান করেন। টিপু সুলতান সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, শেখ আরিফের সঙ্গে সাবেক ডিবি পুলিশ প্রধান হারুন অর রশিদের সখ্যতা ছিল। ডিবি পুলিশের ভয় দেখিয়ে আরিফ এলাকার অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শেখ আরিফ দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী। তবে বিগত আওয়ামী লীগের আমলে  বেশিরভাগ সময় আরিফ নিজ গ্রাম মিরপুরে থাকতেন। এই সুযোগে তিনি এলাকার অনেককে দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে যাওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আরিফের প্রতারণা শিকার হয়ে অনেকে পথে বসেছেন। খন্দকার টিপু সুলতানসহ স্থানীয়রা শেখ আরিফকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তার কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা প্রতারক আরিফের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৬:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কথিত নেতা শেখ আরিফের প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন এলাকার অনেকে। আরিফকে দ্রুত গ্রেফতার এবং তার কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও প্রথম সারির ঠিকাদার খন্দকার টিপু সুলতান বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি শেরপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাছ থেকে দরপত্রের মাধ্যমে বেশ কিছু অকেজো লোহা ও স্ক্রাব ক্রয় করেন। তিনি সেসব মালামাল শেরপুর সড়ক বিভাগ থেকে আনতে গেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ তার লোকজনকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পরে খন্দকার টিপু সুলতান জানতে পারেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কথিত নেতা শেখ আরিফের সঙ্গে জাতীয় সংসদের তৎকালীন হুইপ ও শেরপুরের সাবেক সাংসদ আতিকুল ইসলামের গভীর সখ্যতা রয়েছে। এ কারণে তিনি আরিফের মাধ্যমে সমঝোতা করে শেরপুর থেকে মালামালগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করেন। শেখ আরিফ হুইপ আতিকুল ইসলামকে দেয়ার নাম করে ঠিকাদার খন্দকার টিপু সুলতানের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু অদ্যাবধি তিনি সেই মালামাল বুঝে পাননি। এ অবস্থায় তিনি টাকা ফেরত চাইলে আরিফ টাকা না দিয়ে টিপু সুলতানকে উল্টো হুমকি প্রদান করেন। টিপু সুলতান সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, শেখ আরিফের সঙ্গে সাবেক ডিবি পুলিশ প্রধান হারুন অর রশিদের সখ্যতা ছিল। ডিবি পুলিশের ভয় দেখিয়ে আরিফ এলাকার অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শেখ আরিফ দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী। তবে বিগত আওয়ামী লীগের আমলে  বেশিরভাগ সময় আরিফ নিজ গ্রাম মিরপুরে থাকতেন। এই সুযোগে তিনি এলাকার অনেককে দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে যাওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আরিফের প্রতারণা শিকার হয়ে অনেকে পথে বসেছেন। খন্দকার টিপু সুলতানসহ স্থানীয়রা শেখ আরিফকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তার কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।