ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমারখালীতে দখলের উদ্দেশ্যে আ’লীগ নেতার দোকানে ১০টি তালা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 45

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দোকানে ভাঙচুর করে ৯০ লাখ টাকার মালপত্র লুটপাট করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সেই দোকান দখলের উদ্দেশ্যে তালা ভেঙে নতুন করে ১০টি তালা লাগিয়েছেন মজিদ পেশকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ অভিযোগ করেন কুমারখালী পৌরসভার সোনাবন্ধু সড়কের ‘সোনালী হস্তশিল্প’ নামে দোকানের মালিক জসিম উদ্দিন। জসিম পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। ২০১৭ সালে ২০ লাখ টাকায় স্থানীয় সিরাজুন্নাহারের কাছ থেকে ৬১ শতাংশ জমি কিনে দোকান করেন জসিম। ওই জমির পজিশন দাবি করে নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুরোনো চড়াইকোল এলাকার আব্দুল মজিদ পেশকার আদালতে মামলা করেন। মামলা চলমান সত্ত্বেও বুধবার সন্ধ্যায় তিনি দোকানের তালা ভেঙে ১০টি নতুন তালা লাগিয়েছেন। রাতে জসিমের স্ত্রী সোনালী আক্তার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে আব্দুল মজিদ পেশকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি কথা বলতে রাজি হননি।  কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমারখালীতে দখলের উদ্দেশ্যে আ’লীগ নেতার দোকানে ১০টি তালা

আপডেট সময় ০৮:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দোকানে ভাঙচুর করে ৯০ লাখ টাকার মালপত্র লুটপাট করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সেই দোকান দখলের উদ্দেশ্যে তালা ভেঙে নতুন করে ১০টি তালা লাগিয়েছেন মজিদ পেশকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ অভিযোগ করেন কুমারখালী পৌরসভার সোনাবন্ধু সড়কের ‘সোনালী হস্তশিল্প’ নামে দোকানের মালিক জসিম উদ্দিন। জসিম পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। ২০১৭ সালে ২০ লাখ টাকায় স্থানীয় সিরাজুন্নাহারের কাছ থেকে ৬১ শতাংশ জমি কিনে দোকান করেন জসিম। ওই জমির পজিশন দাবি করে নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুরোনো চড়াইকোল এলাকার আব্দুল মজিদ পেশকার আদালতে মামলা করেন। মামলা চলমান সত্ত্বেও বুধবার সন্ধ্যায় তিনি দোকানের তালা ভেঙে ১০টি নতুন তালা লাগিয়েছেন। রাতে জসিমের স্ত্রী সোনালী আক্তার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে আব্দুল মজিদ পেশকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি কথা বলতে রাজি হননি।  কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।