শাহবাগে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। এতে অংশ নেয় জবির বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ভাস্কর্য চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় জবি ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ফ্যাসিবাদি হাসিনা গত ১৭ বছর পুলিশের যে চরিত্র তৈরি করেছিল তা এখনও ঠিক হয় নি। আমরা শুধু বুয়েটের শিক্ষার্থী না, প্রতিটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের ন্যাক্কারজনক আচরণের প্রতিবাদ জানাই। জাতীয় আন্দোলনের প্রয়োজনে সবার আগে নেমে আসে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের কোন দাবি মেনে নেয়া হয় না।
জবি শিবিরের অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের রক্তের ওপর দাড়ানো অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু যেকোনো আন্দোলনে শিক্ষার্থীদে রক্ত না ঝরলে তাদের ঘুম ভাঙে না। আমরা প্রশ্ন রেখে যেতে চাই যে পুলিশ হাসিনার পেটুয়া বাহিনী গত ৫ আগস্টের সময় হাজার হাজার মানুষের জীবন নিয়েছে। অনেক মানুষকে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে পুলিশের হামলার কারণে। বুয়েটের মতো দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর এসব হামলার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব বলেন, বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা যে কারণে জুলাই আন্দোলন করেছিলাম সেই রক্তের ওপর বর্তমান সরকার দাড়িয়ে আছে। বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব ছিল শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব বিষয় গুলো সমাধান করা। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আগের সেই রবোটিক সিস্টেমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো চলছে। শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দাঁড়ানো অথচ শিক্ষাকে সংস্কার করার জন্য কোন কমিশন গঠিত হয় নি।
ডেস্ক রিপাের্ট 
















