ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

নৈতিকতা প্রসারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য: ধর্ম উপদেষ্টা

ঢাকা অফিস ॥ ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গৌরবের আলোকবর্তিকা। নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রসারে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী বের হবে তারাই আগামী দিনে পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে সীতাকুে র কুমিরাতে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। মিশরের কায়রোর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় লিগের সহযোগিতায় এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আযাদীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. এজেডএম ওবায়দুল্লাহ ও কায়রোর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় লিগের অধ্যাপক ড. সামী মোহাম্মদ রাবী এল-শেরিফ। এতে বক্তব্য দেন এমিরেটাস অধ্যাপক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. একেএম আজহারুল ইসলাম, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম, জর্ডান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. নাথিয়ের মুফলেহ মুহাম্মদ ওবায়দাৎ ও অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক নদভী। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৌরবময় পান্ডিত্য ও পেশাগত দক্ষতা রয়েছে। তারা শুধু দেশি নয়, বিদেশি প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। তিনি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনিময় প্রোগ্রাম রয়েছে। এখান থেকে পড়াশোনা করে তুর্কি, সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ আছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের মনোরম পরিবেশ বিরাজ করছে। উপদেষ্টা বলেন, আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে সমসাময়িক ও আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের বসে থাকলে চলবে না। অপার সম্ভাবনা আমাদের হাতছানি দিচ্ছে। এ জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী বের হবে তারাই আগামী দিনে পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। এ কারণে আমাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট বের করতে হবে। জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা সেটা পূরণের জন্য ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রয়োজন। আমরা এখানে শুধু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব না, সমাধানের পথও খুঁজে বের করব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুসলেহ। তিনি বলেন, আমরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি শ্রেষ্ঠতম বিদ্যাপীঠ হবে এবং এ অঞ্চলের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

নৈতিকতা প্রসারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য: ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকা অফিস ॥ ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গৌরবের আলোকবর্তিকা। নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রসারে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী বের হবে তারাই আগামী দিনে পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে সীতাকুে র কুমিরাতে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। মিশরের কায়রোর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় লিগের সহযোগিতায় এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আযাদীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. এজেডএম ওবায়দুল্লাহ ও কায়রোর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় লিগের অধ্যাপক ড. সামী মোহাম্মদ রাবী এল-শেরিফ। এতে বক্তব্য দেন এমিরেটাস অধ্যাপক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. একেএম আজহারুল ইসলাম, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম, জর্ডান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. নাথিয়ের মুফলেহ মুহাম্মদ ওবায়দাৎ ও অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক নদভী। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৌরবময় পান্ডিত্য ও পেশাগত দক্ষতা রয়েছে। তারা শুধু দেশি নয়, বিদেশি প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। তিনি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনিময় প্রোগ্রাম রয়েছে। এখান থেকে পড়াশোনা করে তুর্কি, সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ আছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের মনোরম পরিবেশ বিরাজ করছে। উপদেষ্টা বলেন, আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে সমসাময়িক ও আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের বসে থাকলে চলবে না। অপার সম্ভাবনা আমাদের হাতছানি দিচ্ছে। এ জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী বের হবে তারাই আগামী দিনে পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। এ কারণে আমাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট বের করতে হবে। জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা সেটা পূরণের জন্য ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রয়োজন। আমরা এখানে শুধু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব না, সমাধানের পথও খুঁজে বের করব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুসলেহ। তিনি বলেন, আমরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি শ্রেষ্ঠতম বিদ্যাপীঠ হবে এবং এ অঞ্চলের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।