ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ফ্রান্সে দ্বিতীয় দফায় ভোটে কট্টরপন্থীদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪
  • 56

ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ চলছে। প্রথম দফার সফলতা ধরে রেখে সরকার গঠনের বিষয়ে জোর আশাবাদী কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন)। তবে দলটি শেষ পর্যন্ত পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না—এমন সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।

আরএন যদি পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তা হবে ফ্রান্সের ইতিহাসে বড় এক বাঁকবদল। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কট্টর ডানপন্থী কোনো দল দেশটিতে ক্ষমতায় বসতে পারেনি। আরএনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ইউরোপজুড়ে জনতুষ্টিবাদী দলগুলোর জয়ের পাল্লা আরও ভারী করবে।

ফ্রান্সের ছোট শহরগুলোতে আজ রোববার ভোট গ্রহণ শেষ হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায়। বড় শহরগুলোতে ভোট গ্রহণ চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। এর পর থেকে ভোটের ফলাফল আসা শুরু করবে। বুথফেরত জরিপ বলছে, অর্থনৈতিক দুর্দশার জেরে ফরাসিরা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় আরএনই পার্লামেন্টে সর্বাধিক আসন পেতে যাচ্ছে।

তবে এমন আভাসও মিলছে যে সর্বাধিক আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় ২৮৯ আসন পাবে না মারিন লো পেনের দল আরএন। ফলে ২৮ বছর বয়সী দলপ্রধান জরদান বারদেলার প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা অতটাও সহজ হবে না। এর পেছনে অবশ্য কলকাঠি নেড়েছে প্রতিপক্ষ মাখোঁর মধ্যপন্থী জোট টুগেদার অ্যালায়েন্স ও বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট (এনপিই)।

নির্বাচনের প্রথম দফায় আরএন সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এরপরই এনপিই ২৮ ও টুগেদার অ্যালায়েন্স ২০ শতাংশ ভোট নিজেদের দখলে রেখেছিল। আরএনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আটকাতে দ্বিতীয় দফায় এক জোট হয়েছে বিরোধী এ দুই পক্ষ। আরএনের বিরুদ্ধে পড়া ভোটগুলো যেন একজনই পান, সে জন্য প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন দুই পক্ষের দুই শতাধিক প্রার্থী।

বর্ণবাদ ও ইহুদিবিদ্বেষী ইতিহাসের কারণে আরএনকে দীর্ঘ সময় ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছিল ফ্রান্সের জনগণের বড় একটি অংশ। তবে সম্প্রতি দলটির সমর্থন বেড়ে যায়। এর পেছনে কাজ করেছে জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও অভিবাসন নিয়ে মাখোঁর প্রতি ভোটারদের ক্ষোভ। গত বুধবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে লো পেন বলেন, ‘ফ্রান্সের মানুষ বাস্তবিক অর্থেই পরিবর্তনের আশা করছে।’

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ফ্রান্সে দ্বিতীয় দফায় ভোটে কট্টরপন্থীদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা

আপডেট সময় ১১:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ চলছে। প্রথম দফার সফলতা ধরে রেখে সরকার গঠনের বিষয়ে জোর আশাবাদী কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন)। তবে দলটি শেষ পর্যন্ত পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না—এমন সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।

আরএন যদি পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তা হবে ফ্রান্সের ইতিহাসে বড় এক বাঁকবদল। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কট্টর ডানপন্থী কোনো দল দেশটিতে ক্ষমতায় বসতে পারেনি। আরএনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ইউরোপজুড়ে জনতুষ্টিবাদী দলগুলোর জয়ের পাল্লা আরও ভারী করবে।

ফ্রান্সের ছোট শহরগুলোতে আজ রোববার ভোট গ্রহণ শেষ হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায়। বড় শহরগুলোতে ভোট গ্রহণ চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। এর পর থেকে ভোটের ফলাফল আসা শুরু করবে। বুথফেরত জরিপ বলছে, অর্থনৈতিক দুর্দশার জেরে ফরাসিরা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় আরএনই পার্লামেন্টে সর্বাধিক আসন পেতে যাচ্ছে।

তবে এমন আভাসও মিলছে যে সর্বাধিক আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় ২৮৯ আসন পাবে না মারিন লো পেনের দল আরএন। ফলে ২৮ বছর বয়সী দলপ্রধান জরদান বারদেলার প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা অতটাও সহজ হবে না। এর পেছনে অবশ্য কলকাঠি নেড়েছে প্রতিপক্ষ মাখোঁর মধ্যপন্থী জোট টুগেদার অ্যালায়েন্স ও বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট (এনপিই)।

নির্বাচনের প্রথম দফায় আরএন সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এরপরই এনপিই ২৮ ও টুগেদার অ্যালায়েন্স ২০ শতাংশ ভোট নিজেদের দখলে রেখেছিল। আরএনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আটকাতে দ্বিতীয় দফায় এক জোট হয়েছে বিরোধী এ দুই পক্ষ। আরএনের বিরুদ্ধে পড়া ভোটগুলো যেন একজনই পান, সে জন্য প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন দুই পক্ষের দুই শতাধিক প্রার্থী।

বর্ণবাদ ও ইহুদিবিদ্বেষী ইতিহাসের কারণে আরএনকে দীর্ঘ সময় ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছিল ফ্রান্সের জনগণের বড় একটি অংশ। তবে সম্প্রতি দলটির সমর্থন বেড়ে যায়। এর পেছনে কাজ করেছে জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও অভিবাসন নিয়ে মাখোঁর প্রতি ভোটারদের ক্ষোভ। গত বুধবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে লো পেন বলেন, ‘ফ্রান্সের মানুষ বাস্তবিক অর্থেই পরিবর্তনের আশা করছে।’