ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজেন্টের সাহেদ ফের গ্রেফতার

ঢাকার ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেফতার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে আটক করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে তাকে পল্লবী থানায় দায়ের করা ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‌্যাব উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতারকরে র‌্যাব।

গ্রেফতারের পর তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করে র‌্যাব। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনেও পৃথক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট আপিলে তাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই রায় স্থগিত করেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অস্ত্র মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও রয়েছে। সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

রিজেন্টের সাহেদ ফের গ্রেফতার

আপডেট সময় ০২:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ঢাকার ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেফতার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে আটক করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে তাকে পল্লবী থানায় দায়ের করা ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‌্যাব উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতারকরে র‌্যাব।

গ্রেফতারের পর তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করে র‌্যাব। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনেও পৃথক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট আপিলে তাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই রায় স্থগিত করেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অস্ত্র মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও রয়েছে। সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন তিনি।