ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে ঢাকার চিঠি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (২০ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সুত্র আরও জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়, তারা ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ (ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায়) নীতির আওতায় নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী।

একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে, যেখানে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের রাষ্ট্রীয় অনুকূলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে ঢাকার চিঠি

আপডেট সময় ০২:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (২০ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সুত্র আরও জানায়, সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়, তারা ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ (ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায়) নীতির আওতায় নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী।

একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে, যেখানে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের রাষ্ট্রীয় অনুকূলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।