ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

বিএনপির সরোয়ারের প্রার্থিতা বৈধ: হাই কোর্ট

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে জয়ী বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ‘বৈধ’ বলে রায় দিয়েছে হাই কোর্ট। এর ফলে তার শপথ নিতে আর কোনো বাধা রইল না।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।

ওই অভিযোগের শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে। অর্থাৎ সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়।

ইসির এই সিদ্ধান্তোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন।

শুনানি নিয়ে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসি সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেয় হাই কোর্ট।

হাই কোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ওই আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমীন। ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আপিল বিভাগ তার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে।

আদেশে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর অংশ নিতে পারবেন। তবে আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফল প্রকাশ করা যাবে না।

ভোটে সরোয়ার আলমগীর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন পান ৬২ হাজার ১৬০ ভোট। তবে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ওই আসনের ফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখে। ফলে সরোয়ার আলমগীরের শপথ নেওয়াও আটকে থাকে।

এ কারণে ফল প্রকাশ ও শপথ গ্রহণের অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন সরোয়ার।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

বিএনপির সরোয়ারের প্রার্থিতা বৈধ: হাই কোর্ট

আপডেট সময় ০২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে জয়ী বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ‘বৈধ’ বলে রায় দিয়েছে হাই কোর্ট। এর ফলে তার শপথ নিতে আর কোনো বাধা রইল না।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।

ওই অভিযোগের শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে। অর্থাৎ সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়।

ইসির এই সিদ্ধান্তোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন।

শুনানি নিয়ে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসি সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেয় হাই কোর্ট।

হাই কোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ওই আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমীন। ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আপিল বিভাগ তার লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে।

আদেশে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর অংশ নিতে পারবেন। তবে আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফল প্রকাশ করা যাবে না।

ভোটে সরোয়ার আলমগীর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন পান ৬২ হাজার ১৬০ ভোট। তবে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ওই আসনের ফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখে। ফলে সরোয়ার আলমগীরের শপথ নেওয়াও আটকে থাকে।

এ কারণে ফল প্রকাশ ও শপথ গ্রহণের অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন সরোয়ার।