ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

ভাড়া বাসা থেকে কুবি ছাত্রী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়াটে বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে নগরীর একটি ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, নিহতদের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাত ২টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

তিনি জানান, নিহতদের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

নিহতরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪০) ও তাদের মেয়ে সুমাইয়া আফরিন (২২)। সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বামী নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে তাহমিনা বেগম ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভাড়াবাসায় থাকতেন। বড় ছেলে আলামিন আহমেদ ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। ছোট ছেলে ফয়সাল আহমেদ কুমিল্লা ইপিজেডের একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার স্ত্রী ঢাকায় থাকেন এবং মাঝেমধ্যে কুমিল্লায় আসা-যাওয়া করতেন।

নিহতের ছেলে ফয়সাল জানান, শুক্রবার তিনি ঢাকায় যান স্ত্রীর কাছে। রবিবার রাতে কুমিল্লায় ফিরে বাসায় এসে দরজা খুলতে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। ভেতরে গিয়ে দুই কক্ষে মা ও বোনের মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

ভাড়া বাসা থেকে কুবি ছাত্রী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:০৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়াটে বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে নগরীর একটি ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, নিহতদের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাত ২টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

তিনি জানান, নিহতদের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

নিহতরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪০) ও তাদের মেয়ে সুমাইয়া আফরিন (২২)। সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বামী নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে তাহমিনা বেগম ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভাড়াবাসায় থাকতেন। বড় ছেলে আলামিন আহমেদ ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। ছোট ছেলে ফয়সাল আহমেদ কুমিল্লা ইপিজেডের একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার স্ত্রী ঢাকায় থাকেন এবং মাঝেমধ্যে কুমিল্লায় আসা-যাওয়া করতেন।

নিহতের ছেলে ফয়সাল জানান, শুক্রবার তিনি ঢাকায় যান স্ত্রীর কাছে। রবিবার রাতে কুমিল্লায় ফিরে বাসায় এসে দরজা খুলতে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। ভেতরে গিয়ে দুই কক্ষে মা ও বোনের মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে খবর দেন।