ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

বাংলাদেশকে আবার গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন তারেক রহমান: ফখরুল

বাংলাদেশকে আবার কিভাবে গড়ে তোলা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে যুবদলের গ্রাফিতি আর্টসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই আন্দোলনে যুবদলের ৭৯ ও ছাত্রদলের ১৪২ জন শহীদ হয়েছেন। যার যা অবদান আছে, তা তাকে দিতে হবে। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো একটি দল বা ছাত্র একা আন্দোলন করেননি, শিশু-বৃদ্ধ সবাই জুলাই অভ্যুত্থানে নেমে এসেছিল। সবার অংশগ্রহণে স্বৈরাচারের বিদায় সম্ভব হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীর চাঁদাবাজি- এটা কি আমরা চেয়েছিলাম? এত তাড়াতাড়ি যদি এসব ঘটে, তবে ভবিষ্যৎ কী?

তিনি বলেন, গোটা বাংলাদেশ তরুণদের দিকে তাকিয়ে আছে। হাসিনা পতনের মানুষদের দিকে তাকিয়ে আছে সবাই। কিন্তু দুঃখ হয়, জোর গলায় বলতে পারছি না যে, এ দেশ নতুন করে গড়ে উঠবে। দেশে এমন অবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা ফ্যাসিস্টদের নতুন করে সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, হাসিনার বিচারের তো কিছু দেখতে পেলাম না, এক বছর হয়ে গেল। যারা প্রকাশ্যে হত্যা করল, তাদের কেন গ্রেফতার করা হলো না?

সংস্কারের বিষয়ে সরকারের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তবে যতই চাপ তৈরি করে বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করা হোক না কেন, দেশের মানুষ লড়াই করতে জানে। দেশের মানুষ লড়াই করেই দেশকে মুক্ত করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

বাংলাদেশকে আবার গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন তারেক রহমান: ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশকে আবার কিভাবে গড়ে তোলা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে যুবদলের গ্রাফিতি আর্টসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই আন্দোলনে যুবদলের ৭৯ ও ছাত্রদলের ১৪২ জন শহীদ হয়েছেন। যার যা অবদান আছে, তা তাকে দিতে হবে। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো একটি দল বা ছাত্র একা আন্দোলন করেননি, শিশু-বৃদ্ধ সবাই জুলাই অভ্যুত্থানে নেমে এসেছিল। সবার অংশগ্রহণে স্বৈরাচারের বিদায় সম্ভব হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীর চাঁদাবাজি- এটা কি আমরা চেয়েছিলাম? এত তাড়াতাড়ি যদি এসব ঘটে, তবে ভবিষ্যৎ কী?

তিনি বলেন, গোটা বাংলাদেশ তরুণদের দিকে তাকিয়ে আছে। হাসিনা পতনের মানুষদের দিকে তাকিয়ে আছে সবাই। কিন্তু দুঃখ হয়, জোর গলায় বলতে পারছি না যে, এ দেশ নতুন করে গড়ে উঠবে। দেশে এমন অবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা ফ্যাসিস্টদের নতুন করে সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, হাসিনার বিচারের তো কিছু দেখতে পেলাম না, এক বছর হয়ে গেল। যারা প্রকাশ্যে হত্যা করল, তাদের কেন গ্রেফতার করা হলো না?

সংস্কারের বিষয়ে সরকারের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তবে যতই চাপ তৈরি করে বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করা হোক না কেন, দেশের মানুষ লড়াই করতে জানে। দেশের মানুষ লড়াই করেই দেশকে মুক্ত করেছে।