ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

যেনতেন নির্বাচন চায় না জামায়াত: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হলে কোনো আপত্তি নেই, তবে যেনতেন একটি নির্বাচন তারা চান না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। রোববার (৬ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘যেনতেন নির্বাচন চাই না মানে আমরা নির্বাচন চাই না—এ বিষয়টা না কিন্তু। ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে এবং সন্দেহ তৈরি করা হচ্ছে। আর যেনতেন ইলেকশন যদি কেউ চান, আমরা তাদেরকেও চাই না। যেনতেন নির্বাচন যারা করেছে, আমরা তাদেরকে বিতাড়িত করেছি।’

যেনতেন নির্বাচন হলে দেশে বিচার ও সংস্কার বৃথা যাবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে আসা উচিত এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে হতে পারে এ ব্যাপারে আমরা নিজেদের ভেতরে আলোচনা করতে পারি। আমি মনে করি, এ রকম আলোচনায় আমরা যুক্ত হলে যেসব (মত) পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো দূর হয়ে যেতে পারে।’

সংলাপে অন্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আলোকচিত্রী সাংবাদিক শহিদুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নূর উদ্দিন খান প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

যেনতেন নির্বাচন চায় না জামায়াত: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

আপডেট সময় ০৮:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হলে কোনো আপত্তি নেই, তবে যেনতেন একটি নির্বাচন তারা চান না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। রোববার (৬ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘যেনতেন নির্বাচন চাই না মানে আমরা নির্বাচন চাই না—এ বিষয়টা না কিন্তু। ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে এবং সন্দেহ তৈরি করা হচ্ছে। আর যেনতেন ইলেকশন যদি কেউ চান, আমরা তাদেরকেও চাই না। যেনতেন নির্বাচন যারা করেছে, আমরা তাদেরকে বিতাড়িত করেছি।’

যেনতেন নির্বাচন হলে দেশে বিচার ও সংস্কার বৃথা যাবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে আসা উচিত এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে হতে পারে এ ব্যাপারে আমরা নিজেদের ভেতরে আলোচনা করতে পারি। আমি মনে করি, এ রকম আলোচনায় আমরা যুক্ত হলে যেসব (মত) পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো দূর হয়ে যেতে পারে।’

সংলাপে অন্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আলোকচিত্রী সাংবাদিক শহিদুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নূর উদ্দিন খান প্রমুখ।