ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন। শনিবার বেলা দশটা থেকে এই অভিযান শুরু হয়।

তবে বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা না করে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করায় অনেক ছিন্নমূল মানুষ প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, নিজস্ব জায়গা জমি না থাকায় তারা গড়াই নদীর এই চরে বাড়ি ঘর করে কোনমতে বসবাস করছিলেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন তারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন এ প্রশ্ন তাদের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার শহর সংলগ্ন গড়াই নদীর দক্ষিণ তীরে জেগে ওঠা চরে বেশ কিছু ছিন্নমূল মানুষ বাড়িঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। নদী দখল মুক্ত করতে একাধিকবার দখলদারদের নোটিশ করা হলেও তারা কর্ণপাত করেননি। এর প্রেক্ষিতে শনিবার সকাল থেকে এসব অবৈধ বাড়িঘর উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম জানান, এরই মধ্যে অন্তত ৪০টি অবৈধ বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। নদীর চরে আরো যেসব অবৈধ বাড়ি বা স্থাপনা রয়েছে সেগুলোও পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে।

এ উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসনকে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহায়তা করছেন বলে জানান কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসেন।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় ০৪:৪৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন। শনিবার বেলা দশটা থেকে এই অভিযান শুরু হয়।

তবে বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা না করে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করায় অনেক ছিন্নমূল মানুষ প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, নিজস্ব জায়গা জমি না থাকায় তারা গড়াই নদীর এই চরে বাড়ি ঘর করে কোনমতে বসবাস করছিলেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন তারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন এ প্রশ্ন তাদের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার শহর সংলগ্ন গড়াই নদীর দক্ষিণ তীরে জেগে ওঠা চরে বেশ কিছু ছিন্নমূল মানুষ বাড়িঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। নদী দখল মুক্ত করতে একাধিকবার দখলদারদের নোটিশ করা হলেও তারা কর্ণপাত করেননি। এর প্রেক্ষিতে শনিবার সকাল থেকে এসব অবৈধ বাড়িঘর উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম জানান, এরই মধ্যে অন্তত ৪০টি অবৈধ বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। নদীর চরে আরো যেসব অবৈধ বাড়ি বা স্থাপনা রয়েছে সেগুলোও পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে।

এ উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসনকে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহায়তা করছেন বলে জানান কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসেন।