ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে: সেনাপ্রধান

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রবিবার (২২ জুন) সকালে চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমিতে আয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন রাষ্ট্রপতির কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনা প্রধান বলেন, সততা, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের চেতনায় বলীয়ান হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নবীন কর্মকর্তাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রে অপরাধ দমন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।’

কুচকাওয়াজের শুরুতে সেনাপ্রধান জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং এরপর নবীন কর্মকর্তাদের আটটি প্লাটুন তাকে সালাম জানায়। দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সেনাবাহিনী প্রধান।

অনুষ্ঠানে মোট ৫২ জন নবীন নৌ কর্মকর্তা কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে রয়েছেন ৪৪ জন মিডশিপম্যান ও ৮ জন ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার। কমিশনপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮ জন নারী ও ৪ জন বিদেশি নৌ কর্মকর্তা ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৩:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রবিবার (২২ জুন) সকালে চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমিতে আয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন রাষ্ট্রপতির কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনা প্রধান বলেন, সততা, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের চেতনায় বলীয়ান হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নবীন কর্মকর্তাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রে অপরাধ দমন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।’

কুচকাওয়াজের শুরুতে সেনাপ্রধান জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং এরপর নবীন কর্মকর্তাদের আটটি প্লাটুন তাকে সালাম জানায়। দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সেনাবাহিনী প্রধান।

অনুষ্ঠানে মোট ৫২ জন নবীন নৌ কর্মকর্তা কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে রয়েছেন ৪৪ জন মিডশিপম্যান ও ৮ জন ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার। কমিশনপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮ জন নারী ও ৪ জন বিদেশি নৌ কর্মকর্তা ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।