ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

স্টারমারের দেখা না করা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ব্যাখ্যা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের যুক্তরাজ্য সফরে গিয়েছিলেন। এ সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা হচ্ছে।

কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া প্রসঙ্গে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন ড. ইউনূস।

বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথনের প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস জানান, তিনি স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী ছিলেন। তবে এটি না হওয়াকে হতাশার চোখে দেখছেন না। বরং এটি একটি নতুন সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করেন।

তিনি বলেন, হয়ত তিনি (স্টারমার) ব্যস্ত ছিলেন বা অন্য কোনো কারণে দেখা সম্ভব হয়নি। তবে এতে করে আমার জন্য একটা বড় সুযোগও তৈরি হয়েছে। এখন যেহেতু তিনি ব্যস্ত, আমি তাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতে পারব, যা ঘটছে তা দেখাতে পারব এবং তিনি পুরো পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবেন। এটা ইতিহাসের একটি বিশেষ মুহূর্ত, যার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। একভাবে বললে, আমরা অতীতকে পেছনে ফেলে এক নতুন ভবিষ্যতের সূচনা করছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি জানি না আমি হতাশ হব, নাকি তিনি (কিয়ার স্টারমার)। কোনো কারণে একটা সুযোগ হারালো, আমি জানি না। এজন্যই বলেছি, তার বাংলাদেশে আসা উচিত। একটু নির্ভার থাকবেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি উপলব্ধি করবেন, এই মুহূর্তের মর্ম বুঝতে পারবেন।’

গত ৯ জুন সন্ধ্যায় চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সফর শেষে শনিবার (১৪ জুন) সকালে দেশে ফেরেন তিনি।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

স্টারমারের দেখা না করা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ব্যাখ্যা

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের যুক্তরাজ্য সফরে গিয়েছিলেন। এ সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা হচ্ছে।

কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া প্রসঙ্গে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন ড. ইউনূস।

বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথনের প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস জানান, তিনি স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী ছিলেন। তবে এটি না হওয়াকে হতাশার চোখে দেখছেন না। বরং এটি একটি নতুন সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করেন।

তিনি বলেন, হয়ত তিনি (স্টারমার) ব্যস্ত ছিলেন বা অন্য কোনো কারণে দেখা সম্ভব হয়নি। তবে এতে করে আমার জন্য একটা বড় সুযোগও তৈরি হয়েছে। এখন যেহেতু তিনি ব্যস্ত, আমি তাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতে পারব, যা ঘটছে তা দেখাতে পারব এবং তিনি পুরো পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবেন। এটা ইতিহাসের একটি বিশেষ মুহূর্ত, যার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। একভাবে বললে, আমরা অতীতকে পেছনে ফেলে এক নতুন ভবিষ্যতের সূচনা করছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি জানি না আমি হতাশ হব, নাকি তিনি (কিয়ার স্টারমার)। কোনো কারণে একটা সুযোগ হারালো, আমি জানি না। এজন্যই বলেছি, তার বাংলাদেশে আসা উচিত। একটু নির্ভার থাকবেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি উপলব্ধি করবেন, এই মুহূর্তের মর্ম বুঝতে পারবেন।’

গত ৯ জুন সন্ধ্যায় চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সফর শেষে শনিবার (১৪ জুন) সকালে দেশে ফেরেন তিনি।