ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

বিরামপুর সীমান্তে একই পরিবারের ১৪ জনসহ ১৫ জনকে ঠেলে পাঠাল বিএসএফ

দিনাজপুরে বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ একই পরিবারের ১৪ জনসহ ১৫ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তের বহিনী বিএসএফ।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলা বিনাইল ইউনিয়নের অচিন্তপুর সীমান্তের ২৯৫/১ মেইন পিলার এলাকা দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়। এদের মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম।

পুশইন প্রাপ্তরা হলেন, মো. আশক মোল্লা (৬০), মোছা. হিরিনা বেগম (৫২), মো. হাসু মোল্লা (৩৪ ), মো. বিল্লাল মোল্লা (১৬) , মোহাম্মদ মোল্লা (১২), আহমেদ মোল্লা (৮), মোছা. রাবেয়া মোল্লা (৪) সকালের পিতা. হাসু মোল্লা এছাড়াও মো. মনির মোল্লা (৩০) , মোছা. ঝরনা খাতুন (২৮), মোছা. সুমাইয়া খাতুন (১১), মো. আলমিন মোল্লা (৮) মোছা. সুমাইয়া খাতুন (৬), মোছাঃ খাদিজা খাতুন (৪), মো. ইব্রাহিম মোল্লা (২) , মোছা. তাজমা বেগম (৪০) সকলেই নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার শীতল পাটি পেরল এলাকার বাসিন্দা।

আটক আশক মোল্লা জানিয়েছেন, তারা গতবছর ৭ অক্টোবর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের মুম্বাইয়ে যায়। মুম্বাই শহরে দীর্ঘদিন যাবত রাজ মিস্ত্রীর কাজ করছিল।ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অবস্থান করায় চলতি মাসের ৭ তারিখে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের হেলিকপ্টার যোগে শিলিগুড়ি নিয়ে আসে। গতকাল সন্ধ্যার দিকে ভারতের রায়গঞ্জ গুলশি বিএসএফ ক্যাম্পে তাদের গাড়িতে করে নিয়ে আসে। রাত আড়াইটার দিকে সীমান্তের বিদ্যুৎতের আলো বন্ধ করে দিয়ে তাদের বাংলাদেশ ঠেলে পাঠানো হয়।

অচিন্তপুর সীমান্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানান, গভীর রাত আড়াইটার দিকে সীমান্ত ২৯৫/১ মেইন পিলার এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিদ্যুতের আলো বন্ধ করে দেন। বিজিবি সদস্যরা সেখানে ওঁত পেতে অবস্থান করে। পরে অন্ধকারে মধ্যে ভারত থেকে ১৫ জন ব্যক্তিকে আসতে দেখেন তারা।এ সময় তাদের আটক করে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়। এদের মধ্যে ৩জন পুরুষ,৩ জন নারী এবং ৯জন শিশু রয়েছেন।

তিনি জানান, আটককৃতরা এক বছর আগে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের কাজের উদ্দেশ্যে যায়।এর পর তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

বিরামপুর সীমান্তে একই পরিবারের ১৪ জনসহ ১৫ জনকে ঠেলে পাঠাল বিএসএফ

আপডেট সময় ০৯:০৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

দিনাজপুরে বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ একই পরিবারের ১৪ জনসহ ১৫ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তের বহিনী বিএসএফ।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলা বিনাইল ইউনিয়নের অচিন্তপুর সীমান্তের ২৯৫/১ মেইন পিলার এলাকা দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়। এদের মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম।

পুশইন প্রাপ্তরা হলেন, মো. আশক মোল্লা (৬০), মোছা. হিরিনা বেগম (৫২), মো. হাসু মোল্লা (৩৪ ), মো. বিল্লাল মোল্লা (১৬) , মোহাম্মদ মোল্লা (১২), আহমেদ মোল্লা (৮), মোছা. রাবেয়া মোল্লা (৪) সকালের পিতা. হাসু মোল্লা এছাড়াও মো. মনির মোল্লা (৩০) , মোছা. ঝরনা খাতুন (২৮), মোছা. সুমাইয়া খাতুন (১১), মো. আলমিন মোল্লা (৮) মোছা. সুমাইয়া খাতুন (৬), মোছাঃ খাদিজা খাতুন (৪), মো. ইব্রাহিম মোল্লা (২) , মোছা. তাজমা বেগম (৪০) সকলেই নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার শীতল পাটি পেরল এলাকার বাসিন্দা।

আটক আশক মোল্লা জানিয়েছেন, তারা গতবছর ৭ অক্টোবর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের মুম্বাইয়ে যায়। মুম্বাই শহরে দীর্ঘদিন যাবত রাজ মিস্ত্রীর কাজ করছিল।ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অবস্থান করায় চলতি মাসের ৭ তারিখে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের হেলিকপ্টার যোগে শিলিগুড়ি নিয়ে আসে। গতকাল সন্ধ্যার দিকে ভারতের রায়গঞ্জ গুলশি বিএসএফ ক্যাম্পে তাদের গাড়িতে করে নিয়ে আসে। রাত আড়াইটার দিকে সীমান্তের বিদ্যুৎতের আলো বন্ধ করে দিয়ে তাদের বাংলাদেশ ঠেলে পাঠানো হয়।

অচিন্তপুর সীমান্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানান, গভীর রাত আড়াইটার দিকে সীমান্ত ২৯৫/১ মেইন পিলার এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিদ্যুতের আলো বন্ধ করে দেন। বিজিবি সদস্যরা সেখানে ওঁত পেতে অবস্থান করে। পরে অন্ধকারে মধ্যে ভারত থেকে ১৫ জন ব্যক্তিকে আসতে দেখেন তারা।এ সময় তাদের আটক করে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়। এদের মধ্যে ৩জন পুরুষ,৩ জন নারী এবং ৯জন শিশু রয়েছেন।

তিনি জানান, আটককৃতরা এক বছর আগে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের কাজের উদ্দেশ্যে যায়।এর পর তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।