ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :

চাপ কমেছে পদ্মা সেতুতে, নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরছে মানুষ

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশপথ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কমেছে গাড়ির চাপ। এতে নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরছে ঘরমুখো মানুষ।

শুক্রবার (৬ জুন) সকালে পদ্মা সেতু এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল ৮টার পর থেকে ওই এক্সপ্রেসওয়েতে দূরপাল্লার যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। অধিক যানবাহনের কারণে টোল আদায়ে বিলম্ব হওয়ায় এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। মাওয়া প্রান্ত থেকে এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর উপজেলার দোগাছী পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন চলেছিল ধীরগতিতে।

এতে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার মাওয়া প্রান্তে টোল আদায়ে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে। ৮টি টোল বুথে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় করা হলেও টোল প্লাজায় দুপুর পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি অপেক্ষমাণ ছিল। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে গাড়ির চাপ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেল এবং রাতের পর শুক্রবার সকালেও ওই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির তেমন চাপ দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের টিআই শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির চাপ নেই। শুক্রবার সকালেও তেমন গাড়ির কোনো চাপ এক্সপেসওয়েতে লক্ষ্য করা যায়নি। নির্বিঘ্নে মানুষ এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বাড়ি ফিরছে।

পদ্মা সেতু সাইট অফিসের প্রকৌশলী আবু সাদ জানান, সেতুর উভয় প্রান্তে ৮ করে মোট ১৬ টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রান্তে দুটি করে মোট চারটি বুথ দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। ইলেকট্রনিক বুথ চালু থাকলেও এখনো হাতেগোনা কিছু যানবাহন শুধু রেজিস্ট্রেশন করেছে। ফলে প্রায় সব যানবাহনের টোল আদায় করা হচ্ছে প্রথাগত পদ্ধতিতে।

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, ক্রয়চুক্তি সই

চাপ কমেছে পদ্মা সেতুতে, নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরছে মানুষ

আপডেট সময় ১১:০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশপথ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কমেছে গাড়ির চাপ। এতে নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরছে ঘরমুখো মানুষ।

শুক্রবার (৬ জুন) সকালে পদ্মা সেতু এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল ৮টার পর থেকে ওই এক্সপ্রেসওয়েতে দূরপাল্লার যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। অধিক যানবাহনের কারণে টোল আদায়ে বিলম্ব হওয়ায় এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। মাওয়া প্রান্ত থেকে এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর উপজেলার দোগাছী পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন চলেছিল ধীরগতিতে।

এতে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার মাওয়া প্রান্তে টোল আদায়ে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে। ৮টি টোল বুথে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় করা হলেও টোল প্লাজায় দুপুর পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি অপেক্ষমাণ ছিল। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে গাড়ির চাপ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেল এবং রাতের পর শুক্রবার সকালেও ওই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির তেমন চাপ দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের টিআই শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির চাপ নেই। শুক্রবার সকালেও তেমন গাড়ির কোনো চাপ এক্সপেসওয়েতে লক্ষ্য করা যায়নি। নির্বিঘ্নে মানুষ এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বাড়ি ফিরছে।

পদ্মা সেতু সাইট অফিসের প্রকৌশলী আবু সাদ জানান, সেতুর উভয় প্রান্তে ৮ করে মোট ১৬ টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রান্তে দুটি করে মোট চারটি বুথ দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। ইলেকট্রনিক বুথ চালু থাকলেও এখনো হাতেগোনা কিছু যানবাহন শুধু রেজিস্ট্রেশন করেছে। ফলে প্রায় সব যানবাহনের টোল আদায় করা হচ্ছে প্রথাগত পদ্ধতিতে।