ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে প্রেমিকা রুনাকে বিয়ে করল শাহিন

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক ॥ এক প্রেমিককে নিয়ে দুই তরুণীর টানাটানির অবসান হয়েছে। একজন ছাড় দেয়ায় অপর তরুণীকে অবশেষে বিয়ে করেছে ঝিনাইদহের সেই প্রেমিক শাহিন। রোববার (৪ নভেম্বর) রাতে প্রেমিকা রুনাকে বিয়ে করেন শাহিন। রাতে হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রার আজিজুর রহমান মিনুর বাড়িতে রুনা ও শাহিনের বিবাহ হয়। প্রেমিক শাহিন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামের ইকরামুল হকের ছেলে এবং রুনা হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। প্রতিবেশী ইফাজ উদ্দীন জানান, শনিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে পাশের গ্রামে থেকে রুনা খাতুন বিয়ের দাবিতে শাহিনের বাড়িতে আসে। রুনার আসার কথা শুনে সাদিয়া নামে আরেক মেয়ে সেও বিয়ের দাবিতে শাহিনের বাড়িতে আসে। এক শাহিনের বাড়িতে দুই মেয়ে বিয়ের দাবিতে আসায় ঝামেলায় পড়ে যাই। কাকে রেখে কার সঙ্গে বিয়ে দিই এই নিয়ে দ্বিধায় পড়তে হয় সবার। পরে সাদিয়ার পরিবার, শাহিন সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়ার পর তারা স্বেচ্ছায় চলে যায়। পরে রুনার পরিবারের সমর্থনে শাহিন-রুনার বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। রাতে পাশের উপজেলার কাজীর বাড়িতে তাদের বিয়ে হয়। প্রেমিক শাহিন জানান, সে প্রথমে রুনাকেই বিবাহ করতে চলেছিল। পরে সাদিয়া চলে আসায় তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়। পরে যখন সাদিয়া স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর রুনাকে বিয়ে করতে আর কোন বাধা থাকে না। প্রেমিকা রুনা বলেন, আমি প্রথম থেকেই শাহিনকে ভালোবাসি। তাকেই বিয়ে করতে চলেছিলাম। পরে ওই মেয়ে এসে ঝামেলা করলে সমস্যার দেখা দেয়। ওই মেয়ে চলে যাওয়ায় আমাদের দুজনের বিয়ের আর কোন বাধা ছিল না। আমি শাহিনকে বিয়ে করতে পেরে আমার ভালোবাসা ১০০ শতাংশ খাঁটি বলে মনে করছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে প্রেমিকা রুনাকে বিয়ে করল শাহিন

আপডেট সময় ০৯:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক ॥ এক প্রেমিককে নিয়ে দুই তরুণীর টানাটানির অবসান হয়েছে। একজন ছাড় দেয়ায় অপর তরুণীকে অবশেষে বিয়ে করেছে ঝিনাইদহের সেই প্রেমিক শাহিন। রোববার (৪ নভেম্বর) রাতে প্রেমিকা রুনাকে বিয়ে করেন শাহিন। রাতে হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রার আজিজুর রহমান মিনুর বাড়িতে রুনা ও শাহিনের বিবাহ হয়। প্রেমিক শাহিন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামের ইকরামুল হকের ছেলে এবং রুনা হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। প্রতিবেশী ইফাজ উদ্দীন জানান, শনিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে পাশের গ্রামে থেকে রুনা খাতুন বিয়ের দাবিতে শাহিনের বাড়িতে আসে। রুনার আসার কথা শুনে সাদিয়া নামে আরেক মেয়ে সেও বিয়ের দাবিতে শাহিনের বাড়িতে আসে। এক শাহিনের বাড়িতে দুই মেয়ে বিয়ের দাবিতে আসায় ঝামেলায় পড়ে যাই। কাকে রেখে কার সঙ্গে বিয়ে দিই এই নিয়ে দ্বিধায় পড়তে হয় সবার। পরে সাদিয়ার পরিবার, শাহিন সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়ার পর তারা স্বেচ্ছায় চলে যায়। পরে রুনার পরিবারের সমর্থনে শাহিন-রুনার বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। রাতে পাশের উপজেলার কাজীর বাড়িতে তাদের বিয়ে হয়। প্রেমিক শাহিন জানান, সে প্রথমে রুনাকেই বিবাহ করতে চলেছিল। পরে সাদিয়া চলে আসায় তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়। পরে যখন সাদিয়া স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর রুনাকে বিয়ে করতে আর কোন বাধা থাকে না। প্রেমিকা রুনা বলেন, আমি প্রথম থেকেই শাহিনকে ভালোবাসি। তাকেই বিয়ে করতে চলেছিলাম। পরে ওই মেয়ে এসে ঝামেলা করলে সমস্যার দেখা দেয়। ওই মেয়ে চলে যাওয়ায় আমাদের দুজনের বিয়ের আর কোন বাধা ছিল না। আমি শাহিনকে বিয়ে করতে পেরে আমার ভালোবাসা ১০০ শতাংশ খাঁটি বলে মনে করছি।