ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় অপহরণের ৫ ঘণ্টা পর খাদ্য পরিদর্শককে উদ্ধার

খুলনায় খাদ্য পরিদর্শক সুশান্ত কুমার মজুমদারকে পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের ৫ ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হাত, পা এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়ার পর ওই খাদ্য কর্মকর্তাকে খুলনা সদর থানায় রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, রোববার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর ৪নং ঘাট এলাকা থেকে সুশান্ত কুমার মজুমদারকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন ব্যক্তি। অপহরণকারীরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়েছিল। অপহরণের পর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। এ ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তার স্ত্রী মাধবী রানী মজুমদার রাতেই খুলনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

খুলনা সদর থানার ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, অপহরণের পর থেকে পুলিশের একাধিক ইউনিট চারদিক থেকে অভিযান শুরু করে। পুলিশের অভিযানে আতঙ্কিত হয়ে অপহরণকারীরা তাকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হাত-পা এবং চোখ বেঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখানকার পুলিশের সহায়তা নিয়ে সুশান্ত কুমার মজুমদারকে উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, অপহরণকারীরা চাঁদা দাবি করেছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কিছু টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় অপহরণের ৫ ঘণ্টা পর খাদ্য পরিদর্শককে উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:০১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

খুলনায় খাদ্য পরিদর্শক সুশান্ত কুমার মজুমদারকে পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের ৫ ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হাত, পা এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়ার পর ওই খাদ্য কর্মকর্তাকে খুলনা সদর থানায় রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, রোববার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর ৪নং ঘাট এলাকা থেকে সুশান্ত কুমার মজুমদারকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন ব্যক্তি। অপহরণকারীরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়েছিল। অপহরণের পর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। এ ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তার স্ত্রী মাধবী রানী মজুমদার রাতেই খুলনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

খুলনা সদর থানার ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, অপহরণের পর থেকে পুলিশের একাধিক ইউনিট চারদিক থেকে অভিযান শুরু করে। পুলিশের অভিযানে আতঙ্কিত হয়ে অপহরণকারীরা তাকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হাত-পা এবং চোখ বেঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখানকার পুলিশের সহায়তা নিয়ে সুশান্ত কুমার মজুমদারকে উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, অপহরণকারীরা চাঁদা দাবি করেছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কিছু টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।