খাগড়াছড়ির ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি না থাকা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যমূলকভাবেই পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের ঘটনার খবর পাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশের কোনো গাফিলতি না থাকা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যমূলকভাবেই পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক সময় পুরনো ভিডিও নতুনভাবে পোস্ট করে সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করা হয়-এ নিয়ে আমাদের সাইবার টিম কাজ করছে। যে কোনো গুজব বন্ধে পুলিশ অসহায়, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চায় না সরকার বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ব্যাহত করতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে অনেক গোষ্ঠী সক্রিয় আছে। তবে আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক আছি। নির্বাচনে কাজ করার সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে। পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এজন্য দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
মিথ্যা মামলা, নিরীহ ব্যক্তিকে হয়রানি না করার বিষয়ে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে-এ কথা জানিয়ে বাহারুল আলম বলেন,কোনো নিরীহ ব্যক্তি যদি হয়রানির শিকার হন তাহলে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করতে পারবেন। পুলিশ সুপার তদন্তের পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে তাকে দায়মুক্তি দিতে আবেদন করবেন। এ পর্যন্ত ১৩৬ জনকে এভাবে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ২৩৬ জনের আবেদন বিবেচনায় আছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় ১৭৬০টি মামলায় লাখ লাখ নিরীহ ব্যক্তির নাম আছে।
গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে, এগুলোর রাজনৈতিক দিক আছে। সব বিবেচনা করে এগোতে হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, থানায় মামলা না নিয়ে অভিযোগ নেয়ার মাধ্যমে তদন্ত করার নামে কালক্ষেপণ করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আইজিপি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সময় বিভিন্ন ঘটনায় করা মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিদেশে পলাতকদের ব্যাপারে ইন্টারপোলে তথ্য দিয়ে গ্রেফতারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানে (টিটিপি) বাংলাদেশ থেকে কারা কারা যোগ দিয়েছে সে ব্যাপারে আমরা এরইপূর্বেও তথ্য নিয়েছি, তথ্য নিচ্ছি বলেও জানান তিনি।
ডেস্ক রিপোর্ট 










