ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ নিহতের ঘটনা তদন্তে দুই কমিটির ধীরগতি

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪
  • 153

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে গত ১৬ জুলাই গুলিতে নিহত হন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এ ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা হয়নি। ঘটনা তদন্তে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পৃথক দুটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু ওই দুই কমিটিও মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। কমিটি প্রধানরা বলছেন, তদন্ত শেষ হয়নি। প্রতিবেদন জমা দিতে আরও সময় লাগবে।

আবু সাঈদ কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফটকের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের তাক করা অস্ত্রের বিপরীতে বুক পেতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আবু সাঈদ। এ সময় পুলিশ সদস্যরা গুলি ছুড়তে থাকেন। হাতে থাকা লাঠি দিয়ে গুলি ঠেকানোর চেষ্টা করেন সাঈদ। এক পর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সাঈদের মৃত্যু হয়। তার শরীরে রাবার বুলেটের একাধিক ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আবু সাঈদ নিহত ও বিশ্ববিদ্যালয় ফটকে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি।

এ বিষয়ে কমিটির প্রধান রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সায়েকুজ্জামান ফারুকী জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নিখুঁতভাবে তদন্ত করতে সময় লাগছে। গত সোমবার সাত কর্মদিবস শেষ হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়ায় আরো সাত কর্মদিবস সময় বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। 

জনপ্রিয় সংবাদ

আবু সাঈদ নিহতের ঘটনা তদন্তে দুই কমিটির ধীরগতি

আপডেট সময় ১২:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে গত ১৬ জুলাই গুলিতে নিহত হন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এ ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা হয়নি। ঘটনা তদন্তে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পৃথক দুটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু ওই দুই কমিটিও মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। কমিটি প্রধানরা বলছেন, তদন্ত শেষ হয়নি। প্রতিবেদন জমা দিতে আরও সময় লাগবে।

আবু সাঈদ কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফটকের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের তাক করা অস্ত্রের বিপরীতে বুক পেতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আবু সাঈদ। এ সময় পুলিশ সদস্যরা গুলি ছুড়তে থাকেন। হাতে থাকা লাঠি দিয়ে গুলি ঠেকানোর চেষ্টা করেন সাঈদ। এক পর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সাঈদের মৃত্যু হয়। তার শরীরে রাবার বুলেটের একাধিক ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আবু সাঈদ নিহত ও বিশ্ববিদ্যালয় ফটকে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি।

এ বিষয়ে কমিটির প্রধান রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সায়েকুজ্জামান ফারুকী জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নিখুঁতভাবে তদন্ত করতে সময় লাগছে। গত সোমবার সাত কর্মদিবস শেষ হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়ায় আরো সাত কর্মদিবস সময় বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে।