ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নির্মাণাধীন ভবনের ছাদধস

তদন্তে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির তদন্ত কমিটি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্র হল ভবনের ছাদধসের ঘটনা তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ইউজিসির চার সদস্যের তদন্ত কমিটি।

রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় তারা নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।

সদস্যরা বেইজে খুঁটির পরিমাণ, খুঁটির মাঝখানের দূরত্ব, নকশার সাথে কাজের সামঞ্জস্যতা, খুঁটিতে লোহার পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন চলাকালীন সময়েই প্রকৌশল দপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারের মাঝে একে অন্যের উপর দায় চাপানোর প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আমরা পুরো জায়গাটি পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাথমিকভাবে এখানে পর্যাপ্ত খুঁটি ব্যবহার করা হয়নি বলে আশঙ্কা করছি। এছাড়া বাঁশের ব্যবহার নিয়ম বহির্ভূত। এছাড়া ঢালাইয়ের কাজ শুরু করার জন্য যেসব ক্লিয়ারেন্সের দরকার হয় সে বিষয়গুলো আমরা দেখতে পাইনি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্রোহী হলের পাশে নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্রাবাসের দ্বিতীয় তলার সঙ্গে যুক্ত এক্সটেনশন ভবনের (পার্কিং) ছাদ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১১ জন শ্রমিক আহত হন। এ ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং প্রকৌশল দপ্তরের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলামকে সদস্য-সচিব করে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্মাণাধীন ভবনের ছাদধস

তদন্তে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় ০৩:৪০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্র হল ভবনের ছাদধসের ঘটনা তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ইউজিসির চার সদস্যের তদন্ত কমিটি।

রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় তারা নির্মাণাধীন ভবনটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।

সদস্যরা বেইজে খুঁটির পরিমাণ, খুঁটির মাঝখানের দূরত্ব, নকশার সাথে কাজের সামঞ্জস্যতা, খুঁটিতে লোহার পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন চলাকালীন সময়েই প্রকৌশল দপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারের মাঝে একে অন্যের উপর দায় চাপানোর প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আমরা পুরো জায়গাটি পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাথমিকভাবে এখানে পর্যাপ্ত খুঁটি ব্যবহার করা হয়নি বলে আশঙ্কা করছি। এছাড়া বাঁশের ব্যবহার নিয়ম বহির্ভূত। এছাড়া ঢালাইয়ের কাজ শুরু করার জন্য যেসব ক্লিয়ারেন্সের দরকার হয় সে বিষয়গুলো আমরা দেখতে পাইনি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্রোহী হলের পাশে নির্মাণাধীন ১০ তলা ছাত্রাবাসের দ্বিতীয় তলার সঙ্গে যুক্ত এক্সটেনশন ভবনের (পার্কিং) ছাদ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১১ জন শ্রমিক আহত হন। এ ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং প্রকৌশল দপ্তরের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলামকে সদস্য-সচিব করে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।