ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হলে তদন্ত হবে

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে অর্থায়ন ও সম্ভাব্য দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে মামলা হবে এবং আইনের বিধান অনুযায়ী বিচারও হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জাদুঘরের অর্থায়ন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কেবল ‘দুর্নীতি হয়েছে’ এ ধরনের সাধারণ অভিযোগ আইনের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হতে হবে এবং তা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে মামলা হবে এবং বিচার হবে।

ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে সময়সীমার কোনো বাধা নেই।

নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, জাদুঘরের উদ্বোধনের পর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আইনগত তদন্তের জন্য সাধারণত লিখিত অভিযোগ প্রয়োজন হয়। অভিযোগের প্রকৃতি অনুযায়ী বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠানো হতে পারে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর বা জনসভায় দেওয়া বক্তব্য আদালতের দৃষ্টিতে সরাসরি গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য নয়। তাই আইনগত প্রক্রিয়ায় তদন্ত পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য অভিযোগ ও প্রমাণের প্রয়োজন হয়।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের জনবল নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে জাদুঘরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ৫ আগস্ট থেকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করল কাস্টমস

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হলে তদন্ত হবে

আপডেট সময় ০৫:০০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে অর্থায়ন ও সম্ভাব্য দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে মামলা হবে এবং আইনের বিধান অনুযায়ী বিচারও হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জাদুঘরের অর্থায়ন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কেবল ‘দুর্নীতি হয়েছে’ এ ধরনের সাধারণ অভিযোগ আইনের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হতে হবে এবং তা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে মামলা হবে এবং বিচার হবে।

ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে সময়সীমার কোনো বাধা নেই।

নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, জাদুঘরের উদ্বোধনের পর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আইনগত তদন্তের জন্য সাধারণত লিখিত অভিযোগ প্রয়োজন হয়। অভিযোগের প্রকৃতি অনুযায়ী বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠানো হতে পারে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর বা জনসভায় দেওয়া বক্তব্য আদালতের দৃষ্টিতে সরাসরি গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য নয়। তাই আইনগত প্রক্রিয়ায় তদন্ত পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য অভিযোগ ও প্রমাণের প্রয়োজন হয়।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের জনবল নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে জাদুঘরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ৫ আগস্ট থেকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।