কুষ্টিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার ভোররাত ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম চত্বরে অবস্থিত ৩৬জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয়। এঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দায় স্বীকার করেছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জেলা এনসিপির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন
এদিকে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুষ্টিয়ার এনসিপির নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধারা। তারা বলেন, এখানে নিয়মিত পুলিশ দায়িত্বে থাকে ঘটনা সময় ও পুলিশ ডিউটিতে ছিল। তাহলে পুলিশের উপস্থিতিতে কিভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটলো।
এনসিপি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি জানিয়েছেন, শহীদ জুলাই ৩৬ স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের ঘটনা স্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়। এঘটনা জুলাই শহীদদের চেতনার উপর চরম আঘাত। যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী করছি। এই স্টেডিয়ামের আশপাশে অনেক সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে আমি প্রশাসনকে আহবান জানাবো এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা যারা ঘটিয়েছে দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
কুষ্টিয়া জুলাই যোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ জানান, কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে। আসলে এটা পূর্বপরিকল্পিত কোন ঘটনা না এটা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি চাই এটা আমলের আইনের আওতায় এনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আসলে যারা জুলাইকে ধারণ করে না লালন করে না তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন জানান, কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ ঘটনস্থল পর্যবেক্ষণ করেছে। আমরা এই ঘটনা তদন্তপূর্বক দোষীদের চিহ্নিত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
তিনি আরও বলেন, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সেখানে পাহারায় পুলিশ থাকে। ঘটনার দিনও ছিল। এই বিষয়টি তাদের কোন গাফিলতি আছে কিনা সেই বিষয়ে আমরা বিভাগীয় তদন্ত করব।
ডেস্ক রিপোর্ট 










