ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
কুষ্টিয়ায় পুুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মরদেহ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী পরিবারের চল্লিশ উর্ধ বয়সী স্কাউটারদের পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে যাত্রা বেইলি রোডে আগুনে প্রাণ গেল ২ সাংবাদিকের কাচ্চি ভাই নয়, নিচের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত: র‌্যাব বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালেন চিকিৎসক ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের নির্মাণাধীন হিমাগারের আগুন বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বেইলি রোডের আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না: প্রধানমন্ত্রী ভবনে ভেন্টিলেশন ছিল না, নিহতরা ধোঁয়ায় মারা গেছেন

শীতের আমেজে আরশিনগরে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 53

পর্যটকের ঢল নেমেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র আরশিনগর ফিউচার পার্কে। গত শুক্রবার ও শনিবার রেকর্ড পর্যটক প্রবেশ করেছে এই পর্যটন স্পটে।

সকালে পর্যটক কিছুটা কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ছুটি পেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ঘুরতে আসছেন এখানে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের জন্য অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র এটি।

৯ বছর আগে মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ১২ একর জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে এটি। বিনোদনের কথা চিন্তা করে পার্কটি গড়ে তোলেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন দিদার।

এখানে আছে থাকার জন্য কটেজ, খেলার রাইডার, বেবি শপ, চকোলেট শপ, রেস্টুরেন্ট, ফুডজোন, কৃত্রিম লেক, কমিউনিটি সেন্টার, মুক্ত মঞ্চ, রেস্টুরেন্টসহ অনেক রাইড আছে। বিশেষ করে শিশুদের বিনোদনের জন্য অন্যতম স্পট এটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পার্কের মূল গেইটের বাইরে টিকিট কাউন্টারে মানুষের জটলা। ভেতরে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শিশুরা বিভিন্ন রাইডে খেলাধুলা করছেন।

কেউ লেকের পাড়ে পড়ে খোশ গল্পে মেঠে উঠেছেন। অনেকে প্রিয়জনদের নিয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত। কেউ রেস্টুরেন্টে, কেউ রেস্টুরেন্টের বাইরে বসে নাশতা করছেন

কেউ কেউ পার্কে স্থাপিত বিভিন্ন পাখি ও প্রাণীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। শিশুরা মোটু, পাতলুসহ বিভিন্ন প্রতিকৃতির সঙ্গে আনন্দ করছে। মূল গেইটের বাইরে বাড়তি আকর্ষণ আছে শীতকালীন ভাপা ও চিতই পিঠার আয়োজন।

ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার এলাকা থেকে শিশুদের নিয়ে ঘুরতে আসা শহীদ উল্লাহ- সালমা দম্পতি বলেন, ‘এটি তো আরশিনগর বাড়ির পাশে অবস্থিত। তাছাড়া এটি বাচ্চাদের খুব পছন্দের জায়গা। সময় সুযোগ পেলে বাচ্চাদের নিয়ে এখানে ঘুরতে চলে আসি। খুব মজা করে বাচ্চারা।’

আরশিনগর ফিউচার পার্কের স্বত্ত্বাধিকারী নাসির উদ্দিন দিদার বলেন, ‘৯ বছর আগে ১২ একর জায়গায় মানুষের বিনোদনের কথা চিন্তা করে, বিশেষ করে শিশুদের জন্য পার্কটি করেছি। আমার মেয়ে আরশির নামে নামকরণ করা হয়েছে পার্কটির।’

‘গত কয়েকদিন ছুটির কারণে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক পর্যটক এসেছে। আশা করছি চলতি ডিসেম্বর মাসে ছুটি থাকায় ও নতুন বছরের প্রথম দুই মাস পর্যটক আরও বাড়বে।’

তিনি আও বলেন, ‘পার্কটি শিশুদের বিনোদনের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে করা হলেও সব বয়সী মানুষের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে শতভাগ নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে। আরও আছে, থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা। ’

দৌলতপুরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরন

শীতের আমেজে আরশিনগরে

আপডেট সময় ০২:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

পর্যটকের ঢল নেমেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র আরশিনগর ফিউচার পার্কে। গত শুক্রবার ও শনিবার রেকর্ড পর্যটক প্রবেশ করেছে এই পর্যটন স্পটে।

সকালে পর্যটক কিছুটা কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ছুটি পেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ঘুরতে আসছেন এখানে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের জন্য অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র এটি।

৯ বছর আগে মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ১২ একর জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে এটি। বিনোদনের কথা চিন্তা করে পার্কটি গড়ে তোলেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন দিদার।

এখানে আছে থাকার জন্য কটেজ, খেলার রাইডার, বেবি শপ, চকোলেট শপ, রেস্টুরেন্ট, ফুডজোন, কৃত্রিম লেক, কমিউনিটি সেন্টার, মুক্ত মঞ্চ, রেস্টুরেন্টসহ অনেক রাইড আছে। বিশেষ করে শিশুদের বিনোদনের জন্য অন্যতম স্পট এটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পার্কের মূল গেইটের বাইরে টিকিট কাউন্টারে মানুষের জটলা। ভেতরে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শিশুরা বিভিন্ন রাইডে খেলাধুলা করছেন।

কেউ লেকের পাড়ে পড়ে খোশ গল্পে মেঠে উঠেছেন। অনেকে প্রিয়জনদের নিয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত। কেউ রেস্টুরেন্টে, কেউ রেস্টুরেন্টের বাইরে বসে নাশতা করছেন

কেউ কেউ পার্কে স্থাপিত বিভিন্ন পাখি ও প্রাণীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। শিশুরা মোটু, পাতলুসহ বিভিন্ন প্রতিকৃতির সঙ্গে আনন্দ করছে। মূল গেইটের বাইরে বাড়তি আকর্ষণ আছে শীতকালীন ভাপা ও চিতই পিঠার আয়োজন।

ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার এলাকা থেকে শিশুদের নিয়ে ঘুরতে আসা শহীদ উল্লাহ- সালমা দম্পতি বলেন, ‘এটি তো আরশিনগর বাড়ির পাশে অবস্থিত। তাছাড়া এটি বাচ্চাদের খুব পছন্দের জায়গা। সময় সুযোগ পেলে বাচ্চাদের নিয়ে এখানে ঘুরতে চলে আসি। খুব মজা করে বাচ্চারা।’

আরশিনগর ফিউচার পার্কের স্বত্ত্বাধিকারী নাসির উদ্দিন দিদার বলেন, ‘৯ বছর আগে ১২ একর জায়গায় মানুষের বিনোদনের কথা চিন্তা করে, বিশেষ করে শিশুদের জন্য পার্কটি করেছি। আমার মেয়ে আরশির নামে নামকরণ করা হয়েছে পার্কটির।’

‘গত কয়েকদিন ছুটির কারণে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক পর্যটক এসেছে। আশা করছি চলতি ডিসেম্বর মাসে ছুটি থাকায় ও নতুন বছরের প্রথম দুই মাস পর্যটক আরও বাড়বে।’

তিনি আও বলেন, ‘পার্কটি শিশুদের বিনোদনের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে করা হলেও সব বয়সী মানুষের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে শতভাগ নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে। আরও আছে, থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা। ’