ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
কুষ্টিয়ায় পুুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মরদেহ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী পরিবারের চল্লিশ উর্ধ বয়সী স্কাউটারদের পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে যাত্রা বেইলি রোডে আগুনে প্রাণ গেল ২ সাংবাদিকের কাচ্চি ভাই নয়, নিচের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত: র‌্যাব বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালেন চিকিৎসক ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের নির্মাণাধীন হিমাগারের আগুন বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বেইলি রোডের আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না: প্রধানমন্ত্রী ভবনে ভেন্টিলেশন ছিল না, নিহতরা ধোঁয়ায় মারা গেছেন

শিশুর মোবাইল আসক্তি কীভাবে কমাবেন?

এক বছরের শিশুর সামনেও ইদানীং ফোনে গান চালিয়ে দিচ্ছেন বাবা-মায়েরা। শিশু কিছু না বুঝলেও হা করে তাকিয়ে থাকছে মোবাইলের পর্দার দিকে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলের প্রতি আসক্তি তৈরি হয় তাদের। অনেক শিশুই মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না, অনেকে আবার মোবাইলের কারণে পড়াশোনায় মন বসাতে পারে না।

তারা মোবাইলের প্রতি এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে, তার কুপ্রভাব পড়ছে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর।

অভিভাবকদের এমন সামান্য ভুল শিশুর জীবনে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। কী ভাবে মোবাইলের প্রতি শিশুর আাসক্তি কাটাবেন, রইল হদিস।

১) অভিভাবক সময় দেয় না বলেই কিন্তু শিশুরা মোবাইলের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। তাদের আসক্তি কাটাতে হলে আপনাকে ওর জন্য সময় বার করতে হবে। প্রতিদিন সন্তানের জন্য দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন। ওই সময়ে শিশুর মনের কথা শুনুন, ওর সঙ্গে খেলুন, গল্প করুন। প্রয়োজনে ওকে গল্প পড়েও শোনাতে পারেন। খুদের মন মোবাইল থেকে অন্য দিকে ঘোরাতে আপনাকেই উদ্যোগী হয়ে উঠতে হবে। ওকে নিয়ে বেড়াতে যান, ওকে খেলতে নিয়ে যান। ওকে বই কিনে দিতে পারেন। পড়াশোনা ছাড়া নাচ-গান-আঁকা-খেলাধুলো যে দিকে ওর আগ্রহ আছে, তাতে বেশি করে উৎসাহ দিন।

২) নিজের স্বভাবে আগে পরিবর্তন আনুন। আপনাকে সারা ক্ষণ মোবাইলের নেশায় বুদ থাকতে দেখলে খুদেও সেটাই করবে। তাই আগে আপনার নিজের আসক্তি দূর করুন। শিশুর সামনে কাজের প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার না করাই ভাল।

৩) দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দিন। শিশু স্মার্টফোনে কী দেখছে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। তাদের অবসর সময়টা অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন।

৪) শিশু যদি অনলাইনে ক্লাস করে, তা হলে ইন্টারনেটে আর কী করছে সে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়া স্মার্টফোন থেকে আপত্তিকর ওয়েবসাইটগুলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চেষ্টা করুন শিশুরা মোবাইল দেখলে যেন তথ্যমূলকই কিছু দেখে।

৫) প্রযুক্তির সুবিধা-অসুবিধা দু’টি দিকই সন্তানকে বোঝাতে। প্রযুক্তির ভাল-মন্দ দিক নিয়ে আলোচনা করুন সন্তানদের সঙ্গে। অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কী বিপদ হতে পারে, সে সব বিষয়েও সতর্ক করুন খুদেকে।

দৌলতপুরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরন

শিশুর মোবাইল আসক্তি কীভাবে কমাবেন?

আপডেট সময় ০৭:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

এক বছরের শিশুর সামনেও ইদানীং ফোনে গান চালিয়ে দিচ্ছেন বাবা-মায়েরা। শিশু কিছু না বুঝলেও হা করে তাকিয়ে থাকছে মোবাইলের পর্দার দিকে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলের প্রতি আসক্তি তৈরি হয় তাদের। অনেক শিশুই মোবাইল ছাড়া খেতে চায় না, অনেকে আবার মোবাইলের কারণে পড়াশোনায় মন বসাতে পারে না।

তারা মোবাইলের প্রতি এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে, তার কুপ্রভাব পড়ছে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর।

অভিভাবকদের এমন সামান্য ভুল শিশুর জীবনে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। কী ভাবে মোবাইলের প্রতি শিশুর আাসক্তি কাটাবেন, রইল হদিস।

১) অভিভাবক সময় দেয় না বলেই কিন্তু শিশুরা মোবাইলের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। তাদের আসক্তি কাটাতে হলে আপনাকে ওর জন্য সময় বার করতে হবে। প্রতিদিন সন্তানের জন্য দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন। ওই সময়ে শিশুর মনের কথা শুনুন, ওর সঙ্গে খেলুন, গল্প করুন। প্রয়োজনে ওকে গল্প পড়েও শোনাতে পারেন। খুদের মন মোবাইল থেকে অন্য দিকে ঘোরাতে আপনাকেই উদ্যোগী হয়ে উঠতে হবে। ওকে নিয়ে বেড়াতে যান, ওকে খেলতে নিয়ে যান। ওকে বই কিনে দিতে পারেন। পড়াশোনা ছাড়া নাচ-গান-আঁকা-খেলাধুলো যে দিকে ওর আগ্রহ আছে, তাতে বেশি করে উৎসাহ দিন।

২) নিজের স্বভাবে আগে পরিবর্তন আনুন। আপনাকে সারা ক্ষণ মোবাইলের নেশায় বুদ থাকতে দেখলে খুদেও সেটাই করবে। তাই আগে আপনার নিজের আসক্তি দূর করুন। শিশুর সামনে কাজের প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার না করাই ভাল।

৩) দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দিন। শিশু স্মার্টফোনে কী দেখছে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। তাদের অবসর সময়টা অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন।

৪) শিশু যদি অনলাইনে ক্লাস করে, তা হলে ইন্টারনেটে আর কী করছে সে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়া স্মার্টফোন থেকে আপত্তিকর ওয়েবসাইটগুলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চেষ্টা করুন শিশুরা মোবাইল দেখলে যেন তথ্যমূলকই কিছু দেখে।

৫) প্রযুক্তির সুবিধা-অসুবিধা দু’টি দিকই সন্তানকে বোঝাতে। প্রযুক্তির ভাল-মন্দ দিক নিয়ে আলোচনা করুন সন্তানদের সঙ্গে। অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কী বিপদ হতে পারে, সে সব বিষয়েও সতর্ক করুন খুদেকে।