ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
কুষ্টিয়ায় পুুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মরদেহ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী পরিবারের চল্লিশ উর্ধ বয়সী স্কাউটারদের পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে যাত্রা বেইলি রোডে আগুনে প্রাণ গেল ২ সাংবাদিকের কাচ্চি ভাই নয়, নিচের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত: র‌্যাব বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালেন চিকিৎসক ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের নির্মাণাধীন হিমাগারের আগুন বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বেইলি রোডের আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না: প্রধানমন্ত্রী ভবনে ভেন্টিলেশন ছিল না, নিহতরা ধোঁয়ায় মারা গেছেন

এআই ‘ডেথ ক্যালকুলেটার’!

ডেনমার্কের একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, তারা এআই’র মাধ্যমে ‘ডেথ ক্যালকুলেটার’ তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে জীবদ্দশায়ই মানুষ জানতে পারবেন, কবে কখন তার মৃত্যু হবে।

সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে গবেষণাগার, বহু ক্ষেত্রেই যে এআই’র চোখের নিমেষে অসম্ভবকে সম্ভব করছে, তা সবারই জানা।

এমনকি অত্যাধুনিক অ্যাপটি অদূর ভবিষ্যতে যে মানুষের বেকারত্বের মতো সংকট আনতে পারে, এমন ধারণাও করছে বিজ্ঞানীদের একাংশ।

ডেনমার্কের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের দাবি, চ্যাটজিপিটিতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা ‘ডেথ ক্যালকুলেটর’এও ব্যবহার করেছেন বিজ্ঞানীরা। তবে কীভাবে কাজ করবে এই মরণ গণনাযন্ত্র?

এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপার্জন, কাজের ধরন, বাসস্থান, শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একাধিক প্রশ্ন করা হবে। যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এ প্রযুক্তি ৭৮ শতাংশ সঠিক পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। জানা গেছে, দীর্ঘ গবেষণার ফসল ডেথ ক্যালকুলেটর। ২০০৮-২০২০ সাল পর্যন্ত নয়া যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।

১২ বছরে অন্তত ৬০ লাখ ডেনমার্ক নাগরিকের ওপর যন্ত্রটি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তারপরই মরণ গণনাযন্ত্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা। অনেকেই বলছেন, এমন যন্ত্র বাজারে এলে বেকার হবেন জ্যোতিষীরা।

সূত্র: দ্য ইকোনোমিক টাইমস/নিউ ইয়র্ক পোস্ট

দৌলতপুরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরন

এআই ‘ডেথ ক্যালকুলেটার’!

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

ডেনমার্কের একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, তারা এআই’র মাধ্যমে ‘ডেথ ক্যালকুলেটার’ তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে জীবদ্দশায়ই মানুষ জানতে পারবেন, কবে কখন তার মৃত্যু হবে।

সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে গবেষণাগার, বহু ক্ষেত্রেই যে এআই’র চোখের নিমেষে অসম্ভবকে সম্ভব করছে, তা সবারই জানা।

এমনকি অত্যাধুনিক অ্যাপটি অদূর ভবিষ্যতে যে মানুষের বেকারত্বের মতো সংকট আনতে পারে, এমন ধারণাও করছে বিজ্ঞানীদের একাংশ।

ডেনমার্কের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের দাবি, চ্যাটজিপিটিতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা ‘ডেথ ক্যালকুলেটর’এও ব্যবহার করেছেন বিজ্ঞানীরা। তবে কীভাবে কাজ করবে এই মরণ গণনাযন্ত্র?

এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপার্জন, কাজের ধরন, বাসস্থান, শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একাধিক প্রশ্ন করা হবে। যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এ প্রযুক্তি ৭৮ শতাংশ সঠিক পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। জানা গেছে, দীর্ঘ গবেষণার ফসল ডেথ ক্যালকুলেটর। ২০০৮-২০২০ সাল পর্যন্ত নয়া যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়।

১২ বছরে অন্তত ৬০ লাখ ডেনমার্ক নাগরিকের ওপর যন্ত্রটি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তারপরই মরণ গণনাযন্ত্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা। অনেকেই বলছেন, এমন যন্ত্র বাজারে এলে বেকার হবেন জ্যোতিষীরা।

সূত্র: দ্য ইকোনোমিক টাইমস/নিউ ইয়র্ক পোস্ট