ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালন সাঁইয়ের ধামে বসছে ভবের হাট

নিজ সংবাদ ॥ ঁইজির ১৩৪ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে বসছে ভবের হাট। তিন দিনের উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায়। আনুষ্ঠানিকভাবে তিরোধান দিবসের তিন দিনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন  করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্ঠা ফরিদা আখতার। এর আগেই মনের টানে চলে এসেছেন সাধু-বাউল-ভক্তরা। লালনের গানে গানে প্রচার করছেন তার ‘মানব দর্শন।’ প্রতিবারের মতো গতকাল সন্ধ্যায় শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। কিন্তু এর আগেই শুরু হয়ে গেছে সাধুর সঙ্গ। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় সাঁইজির আখড়াবাড়িতে জমেছে ভিড়। বৈঠকে বসেছেন সাধু বাউলরা। আখড়াবাড়ি ঘিরে এখন গানে গানে সারাক্ষণ চলছে লালনের জাতপাতহীন, মানবতাবাদী, অহিংস দর্শনের প্রচার। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক লালন সাঁইজির দেহত্যাগের দিন ধরে এভাবেই ১৩৪ বছর ধরে অনুষ্ঠান চলে আসছে। দিন-ক্ষণ ঠিক রেখে আগেই সাঁইজির বারামখানায় চলে আসেন দেশ-বিদেশের সাধু ও বাউল ভক্তরা। অনেক সাধু-ফকির এরই মধ্যে আখড়াবাড়ির ভেতরে অডিটোরিয়ামের নিচে আসন পেতে বসেছেন। সাধু-ফকিররা বলেন, পয়লা কার্তিক ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় সব সাধু-গুরু আসন নিয়ে চা-মুড়ির সেবার মধ্য দিয়ে তিরোধানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরের দিন ১৮ অক্টোবর সকালে বাল্যসেবা ও দুপুরে পূর্ণসেবার মধ্য দিয়ে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে কাজ করছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লালন সাঁইয়ের ধামে বসছে ভবের হাট

আপডেট সময় ০১:০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ ঁইজির ১৩৪ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে বসছে ভবের হাট। তিন দিনের উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায়। আনুষ্ঠানিকভাবে তিরোধান দিবসের তিন দিনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন  করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্ঠা ফরিদা আখতার। এর আগেই মনের টানে চলে এসেছেন সাধু-বাউল-ভক্তরা। লালনের গানে গানে প্রচার করছেন তার ‘মানব দর্শন।’ প্রতিবারের মতো গতকাল সন্ধ্যায় শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। কিন্তু এর আগেই শুরু হয়ে গেছে সাধুর সঙ্গ। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় সাঁইজির আখড়াবাড়িতে জমেছে ভিড়। বৈঠকে বসেছেন সাধু বাউলরা। আখড়াবাড়ি ঘিরে এখন গানে গানে সারাক্ষণ চলছে লালনের জাতপাতহীন, মানবতাবাদী, অহিংস দর্শনের প্রচার। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক লালন সাঁইজির দেহত্যাগের দিন ধরে এভাবেই ১৩৪ বছর ধরে অনুষ্ঠান চলে আসছে। দিন-ক্ষণ ঠিক রেখে আগেই সাঁইজির বারামখানায় চলে আসেন দেশ-বিদেশের সাধু ও বাউল ভক্তরা। অনেক সাধু-ফকির এরই মধ্যে আখড়াবাড়ির ভেতরে অডিটোরিয়ামের নিচে আসন পেতে বসেছেন। সাধু-ফকিররা বলেন, পয়লা কার্তিক ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় সব সাধু-গুরু আসন নিয়ে চা-মুড়ির সেবার মধ্য দিয়ে তিরোধানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরের দিন ১৮ অক্টোবর সকালে বাল্যসেবা ও দুপুরে পূর্ণসেবার মধ্য দিয়ে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে কাজ করছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হচ্ছে।